
তারা আরো জানান, কসবা থাানায় মামলা দায়ের ৫দিন পরও আসামীরা এলাকায় প্রকাশ্য চলাফেরা করছে অথচ তাদেরকে গ্রেফতার করাছেন না পুলিশ। প্রকৃত ঘটনাকে আড়াল করে এবং ইসমাইল মিয়ার মামলাকে ঘায়েল করার জন্য পরিকল্পিত ভাবে এক বৃদ্ধা মহিলাকে বাদী বানিয়ে কসবা থানায় আসামীরা পক্ষরা একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন।
এই মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে খেওড়া গ্রামের আওয়ামীলীগ,যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীসহ বয়স্ক কয়েক সমাজ প্রতিরা কসবার স্থানীয় নেতাকর্মীদের কাছে এবং কসবা থানায় এসে প্রতিবাদ জানান। তারা বলেন এই মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার না করা হলে আগামীতে আন্দোলনের ডাক দিবে বলে এই প্রতিবেদককে তাও জানান।
উল্লেখ্য গত ২৭ এপ্রিল সোমবার একটি মোবাইল চুরির জের ধরে ২৮ এপ্রিল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টায় জেলার কসবা উপজেলার মেহারী ইউনিয়নের খেওড়া গ্রামের মামুন স্টোরে এ ঘটনা ঘটে। আহত মোঃ ইসমাইল মিয়া(৫০), রাশেদা বেগম(৩৫) গুরুত্বর আহতদেরকে কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্ের ভর্তি শেষে তাদের অবস্থা অবনতি ঘটিলে কর্ত্যবরত চিকিৎসক এই দুই জনকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন। গত ২৯ এপ্রিল স্থানীয় দৈনিকে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল।
বাদী ফরিদা বেগম অভিযোগ করেন , আসামী পক্ষরা বাদীসহ তার পরিবারের সদস্যদেরকে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য বিভিন্ন ভাবে হুমকি দিচ্ছে এবং তুলে না নিলে একাধিক মিথ্যা মামলা দায়ের করা হবে ।