
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানায় জমা দেয়া সাব-রেজিষ্ট্রারের চিঠি (স্মারক নম্বর-১১১) সূত্রে জানা যায়, তার কার্যালয়ের কর্মচারি শামসুল আলম মতিন প্রতারণার মাধ্যমে একটি দলিল উপস্থাপন করে। উপস্থাপনের পর দলিলের সাথে জমা দেয়া অন্যসব কাগজপত্র পর্যালোচনা করে এটিকে চ্যালেঞ্জ করা হয়। এরপর মতিন নানা টালবাহানা শুরু করে। এ অবস্থায় জমির প্রকৃত মালিক শহরের পশ্চিম ফুলবাড়িয়া এলাকার ডা. ইব্রাহিমকে ফোন করা হয়। এরপর তিনি এসে দলিল করার বিষয়ে কিছুই জানেন না বলে সাব-রেজিষ্ট্রারকে জানান এবং এ বিষয়ে আপত্তি করেন। তার আপত্তির প্রেক্ষিতে শামসুল আলম মতিনসহ দলিল প্রতারণা চক্রের তিনজনকে আটক করে পুলিশে দেয়া হয়। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আকুল চন্দ্র বিশ্বাস জানান, জমির মালিক ডা. ইব্রাহিম আটককৃতদের বিরুদ্ধে মামলা দিলে মামলা রুজু করা হবে। অন্যথায় আটককৃতদের ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখানো হবে।