
এদিকে, এসএসসি পরীক্ষার্থীদের টাকা ফেরত দেওয়া হবে। যাতে তদন্ত কমিটির কাছে এ বিষয় নিয়ে যাতে কোন কথা না বলে তার জন্য পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের চাপ দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। না প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পরীক্ষার্থী জানান প্রধান শিক্ষক খোরশেদ আলম ভুইয়ার পক্ষ থেকে কয়েকজন আমাদের বাড়ি বাড়ি এসে জানিয়ে গেছেন তদন্ত কমিটি কাছে কিছু বলা যাবেন না। তবে প্রধান শিক্ষক খোরশেদ আলম ভুইয়ার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান অতিরিক্ত টাকা ফেরত দেওয়া হবে। তবে তিনি ত হাইকোর্ট নির্দেশ ও মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড কুমিল্লা’র পরিক্ষা নিয়ন্ত্রক’র পত্র দেওয়ার পরও টাকা ফেরত দেননি কেন। এ বিষয়ে কিছু বলতে রাজি হয়নি। এ ব্যাপারে তদন্ত কমিটির আহবায়ক উপজেলা সহকারি মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. আনিছুর রহমান জানান তদন্তে যা আসবে তা প্রতিবেদন আকারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে জমা দেওয়া হবে।
উল্লেখ্য চলতি বছরে এই বিদ্যালয়ের ১০৫ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহন করছে। বোর্ড নির্ধারিত ফি উপক্ষো করে বিদ্যালয়টি প্রতিজন এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কাছ প্রতি অতিরিক্ত ফি হিসাবে ৩/৪ হাজার টাকা অতিরিক্ত আদায় করা হয়। অতিরিক্ত টাকা ফেরত দিতে হাইকোর্ট নির্দেশ ও মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড কুমিল্লা’র পরিক্ষা নিয়ন্ত্রক’র পত্র দেওয়ার পরও টাকা ফেরত পায়নি শাহ ফরাছত আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীরা।
-সঞ্জয়