
প্রধান অতিথি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক ড. মুহাম্মদ মোশাররফ হোসেন তাঁর বক্তৃতায় বলেন, বইটি আগামী প্রজন্মের জন্য সমৃদ্ধ ইতিহাস জানতে সহায়তা করবে। এ বইটি পাঠকদেরকে নতুনভাবে অনুপ্রাণিত করবে, লেখক হতে উৎসাহিত করবে। তিনি আরো বলেন, এই বইটির সম্পাদককে তার এই সৃষ্টিকর্ম অনেকদিন বাঁচিয়ে রাখবেন। তিনি বলেন, আমি আশা করি আগামীদিনে রেজাউল করিম সমাজের অন্ধকারকে দুর করতে নিরলসভাবে কাজ করবেন।
বইটির আলোচক চিনাইর বঙ্গবন্ধু কলেজের উপাধ্যক্ষ এ কে এম শিবলী বলেন, আমি আশা করি পর্যায়ক্রমে এই বইটির আরো কয়েকটি খন্ড আমরা পাবো।
অধ্যক্ষ সোপানুল ইসলাম সোপান তার আলোচনায় বলেন, ইতিহাস লিখতে গিয়ে রেজাউল করিম নিজেই ইতিহাস হয়ে গেলেন। অনেক দুর্লভ তথ্য সম্মলিত বইটি বাংলাদেশের ইতিহাসে আরো একটি মাইল ফলক তৈরী করল বলে আমি বিশ্বাস করি। তিনি বর্তমান প্রজন্মকে সমৃদ্ধ ইতিহাস জানার এবং লেখার প্রতি এগিয়ে আসার আহবান জানিয়ে বই পড়ার প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধির উপর গুরুত্বারোপ করেন। অনুষ্ঠান শেষে তিতাস সাংবাদিক সমিতির সহায়তায় সাপ্তাহিক তিতাস পত্রিকার পক্ষ থেকে বলিষ্ঠ সাংবাদিকতায় ভূমিকা রাখার জন্য মোবারক হোসেন চৌধুরী নাসিরকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।