
জানা যায়, তিতাস নদীর পশ্চিম পাড়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড় ২/৩ বছর পূর্বে একটি বেড়িবাধ নির্মান করেন। এ বেড়িবাধের উপর ব্লক দিয়ে একটি রাস্তাও নির্মান করা হয়। যা দিয়ে শহরের উত্তর দক্ষিনে অনায়াসেই যাতায়াত করা গেলেও এখন আবার তাতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্ঠি হয়। সম্প্রতি পূর্ব পাইকপাড়া এলাকার মৃত ননী গোপাল সাহার পুত্র গৌর চন্দ্র সাহা, মৃত আব্দুল হাই মাওলানার পুত্র শাহজাহান মিয়া, মৃত ডা: গোপাল চন্দ্র দাসের পুত্র জয়ন্ত কুমার দাস তাদের যার যার বাড়ীর সামনে এ বেড়িবাধের উপর নির্মিত রাস্তার ব্লক ভেঙ্গে বাড়ীর দেয়াল উঠিয়ে রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন। এসব বিষয়ে স্থানীয় পৌর কাউন্সিলরকে সাথে নিয়ে জনতা বাধা দিলেও অভিযুক্তরা তাতে কোন কর্নপাত করেন নি। দখলকারী চক্র এমনকি একটি সুইচ গেটের বেশির ভাগ বাড়ীর দেয়ালের ভেতরে নিয়ে গেছেন। এ বিষয়ে স্থানীয় পৌর নাগরিকদের পক্ষে স্থানীয় পৌর কাউন্সিলরসহ সদর থানাসহ বিভিন্ন বিভাগে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হলে, এসব প্রত্যাহার করতে প্রভাশালীদের তোপের মূখে এখন বিপাকে রয়েছেন অভিযোগকারীরা। এ ব্যাপারে অভিযুক্তরা নির্দোষ দাবী করলেও সরজমিনে স্থানীয় ভূমি ও পানি উন্নয়ন বোর্ড এর যৌথ তদন্তের সময় রোববার সকালে অভিযুক্তরা তদন্তকারীদের সামনে আসেননি বলে পৌর কাউন্সিলর আহসান উল্লাহ হাসা জানান। ব্রাহ্মণবাড়িয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী আক্তারুজ্জামান অভিযুক্তদের কর্তৃক বেড়িবাধের ব্লক উঠিয়ে অবৈধ দখলের কথা স্বীকার করে বলেন, পৌরসভাকে সাথে নিয়ে দ্রুততম সময়ে এ বিষয়ে যৌথ পদক্ষেপ নেয়া হবে। তবে তদন্তকালে তাৎক্ষনিক পিলার বা দেয়াল নির্মানে মৌখিক নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)। সহকারী কমিশনার ভূমি হাসনাত মোর্শেদ ভূঁইয়া এ প্রতিবেদককে বলেন, এখানে অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ মামলাসহ দ্রুত আইনগত ব্যাবস্থা নেয়া হবে।