The voice of Brahmanbaria || Local news means the world is

কসবা-কুটির খবিরের হাতে নিরহ মানুষের কোটি টাকা!!

খ.ম.হারুনুর রশীদ ঢালী, কসবা প্রতিনিধি :: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলা কুটি ইউপির ভৈরব নগরের পিতা মৃতু মোঃগণি মিয়ার পুত্র খবির আহাম্মদ(প্রকাশ প্রবাসে কবীর) কসবা,মুরাদনগর,নবীনগর ,ঢাকাসহ নিরহ মানুষকেকে বিদেশের নেওয়ার নামে বিভিন্ন ভাবে প্রতারণা করে প্রায় কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার গ্রাম্য বিচারে আদায়ের ভুক্তভোগিদের আয়োজনে এক শালিশী সভা মানিকনগর আল-ফারুক কিন্ডার গার্টেন এন্ড স্কুলে গত বৃহস্পতিবার বিকালে অনুষ্ঠিত হয়। গ্রাম্য সর্দার মোঃ সুরুজ মিয়ার সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন কুটি ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল কাদের,বিশিষ্ট সমাজ সেবক আলহাজ্ব আইয়ুব আলী ভূইয়া,আব্দু রৌফ মেম্বার প্রমুখ।

শালিশী সভায় পাওনাদারদেও মধ্যে বক্তব্য রাখেন কুটি গৌরিপুর গ্রামের ফিরোজ মিয়া(২লাখ ১০হাজার টাকা),নোয়াব মিয়া(১লাখ ৫হাজার টাকা),জসীম মিয়া(১লাখ ৩হাজার টাকা),উজ্জল মিয়া(১৯লাখ ১৪ হাজার টাকা),মুরাদনগর থানার এলহাল গ্রামের খোরশেদ মিয়া(৫লাখ টাকা),কুটি গংগানগর গ্রামের আল আমীন(২লাখ ২০হাজার টাকা),মেহারী ইউপির খেওড়া গ্রামের মাহবুব(২লাখ ২০হাজার টাকা),কুটি ভৈরব নগর গ্রামের মঙ্গল দাশ লাল(সাড়ে ৭লাখ টাকা),কুটি শরৎনগর গ্রামের জুয়েল মিয়া(২লাখ ২০ হাজার টাকা),কুটি গ্রামের রুবেল মিয়া(১২লাখ ৭০ হাজার টাকা),ঢাকারস্থ লিটন মিয়ার (১কোটি টাকা) কসবা উপজেলার কুটি ইউপির ভৈরব নগর গ্রামের পিতা মৃতু মোঃ গণি মিয়ার পুত্র খবির আহাম্মদের(প্রকাশ প্রবাসে কবির) কাছে পাওনাদার বলে প্রমাণ পত্র নিয়ে বক্তব্য রাখেন।

অপর দিকে রিয়াদ সৌদি আরব বাংলাদেশ দূতাবাসে গত ১ ডিসেম্বর ২০১৩ইং বিদেশের মাটিতে কাপলা হওয়ার জন্য ৬০জন ব্যক্তি তিন রিয়ালসহ ৬০ পাসপোর্ট খবীর আহাম্মেদ(কবীর) নিজ হেফাজতে রেখে না দেওয়ার কারণে মোঃ শরীফুল ইসলামসহ ৪জন বাদী হয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করেন।কিন্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে খবির আহাম্মদ (বিদেশের মাটিতে প্রকাশ কবীর)    পালিয়ে বাংলাদেশে চলে আসে।পরিশেষে কেউ কেউ ১মাস,দেড় মাস,২মাস,তিন মাস জেল খেটে বাংলাদেশে এসে ভ্যানগাড়ি,অন্যর জমিতে কাজকর্ম করে ছেলে মেয়ে নিয়ে মানবতার জীবন যাপন করছেন বলে তাঁরা অভিযোগ করেন। অভিযুক্তর ভাই রফিকুল ইসলাম বলেন আমার ভাই খবির হলেও তাঁর অপকর্মের সাথে আমি সর্বদায় প্রতিবাদী ছিলাম। এবং কেউ তাঁর কাছে বিদেশের ব্যাপারে একটি টাকা পয়সা লেনদেন না করার জন্য বারংবার নিষেধ দিয়েও লাভ হয়নি। আজকের সভায় আমি উপস্থিত হয়ে বলছি যারা পাওনাদার তাঁরা অতিশয় নিরহ গবীর বটে। আমি গ্রামবাসীসহ উপস্থিত সকল পাওনাদারা যা করবে তাঁদের সাথে আছি।

শালিশী সভার সভাপতি সুরুজ ভুইয়া সাংবাদিকসহ উপস্থিত প্রায় কয়েক শতাধিক লোক জনের সামনে বলেন খবির আহাম্মদ(প্রকাশ প্রবাসী কবীর) এর কাছ থেকে অসহায় গবীর লোক জনের টাকা আদায়ের জন্য আমাদের মাননীয় আইনমন্ত্রী মহোদয়ের কাছে গিয়ে সহযোগিতা চাওয়ার প্রস্তাব সর্ব সম্মতি ক্রমে সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।
সভার শেষে কোটি টাকা দেনাদার খবির আহাম্মদ(প্রকাশ প্রবাসে কবীর) এর ভৈরবনগর বাড়িতে গেলে তাঁকে পাওয়া যায়নি। তবে তিনি পাওনাদারের টাকার যন্ত্রণায় বর্তমানে গাজীপুর বোর্ড বাজার এলাকায় নতুন বিল্ডিং নির্মাণ করে অবস্থান করছেন বলে গ্রামবাসী জানান।

Exit mobile version