
গত শনিবার বিকেলে উপজেলার চম্পকনগর স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এনিয়ে সাধারন সম্পাদক পদ প্রত্যাশী অন্য নেতাদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। মোঃ রাসেল খান এর আগেও গত ৩ বছর উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন।
সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক প্রত্যাশী আবু কাউছার ভূইয়া অভিযোগ করে বলেন, মোঃ রাসেল খান বিজয়নগর উপজেলার পাহাড়পুর ইউনিয়ন কমিউনিটি ক্লিনিকে পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক হিসেবে চাকুরী করছেন। একজন সরকারি চাকুরীজীবি হয়ে তিনি কিভাবে উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন, প্রকাশ্যে রাজনীতি করেন তা আমার বোধগম্য নয়। তিনি বলেন, একজন সরকারি চাকুরীজীবি হিসেবে মোঃ রাসেল খানের প্রার্থীতা বাতিলের জন্য আমি জেলা যুবলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছিলাম। কিন্তু তারা আমার কথায় কর্ণপাত করেননি। শেষ পর্যন্ত রাসেল খানকেই উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে জেলা যুবলীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মাহবুবুল খান খোকন বলেন, একজন সরকারি চাকুরীজীবি উপজেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক হতে পারবেনা এমন কথা যুবলীগের গঠনতন্ত্রে নেই।
এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের ব্রাহ্মণবাড়িয়া ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক অরবিন্দ দত্তের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি রাসেল খান তার অধীনের একজন কর্মচারী স্বীকার করে বলেন। রাসেল খান বিজয়নগর উপজেলার পাহাড়পুর ইউনিয়ন কমিউনিটি ক্লিনিকে পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক হিসেবে কর্মরত আছেন। তবে তিনি বিজয়নগর উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন কিনা তা আমার জানা নেই। আমি বিষয়টির খোঁজ নিব।
এব্যাপারে নব-নির্বাচিত উপজেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক মোঃ রাসেল খান সাংবাদিকদের বলেন, এর আগেও আমি ৩ বছর উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়কের দায়িত্ব পালন করেছি।