
এ সময় আগুন নেভাতে গিয়ে রিপন মিয়া নামের একজন ব্যবসায়ী আহত হন। রাতেই তাঁকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এলাকাবাসী ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়,রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে চারগাছ বাজারের হানিফ মিয়ার মিষ্টির দোকানে আগুন লাগে। নিমেষে আগুন পাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। আশপাশের ৪১টি দোকান পুড়ে যায়। খবর পেয়ে কসবার কুটি চৌমহনী ফায়ার সার্ভিস ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ফায়ার সার্ভিস স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট এসে স্থানীয় লোকজনদের সহযোগিতায় প্রায় তিন ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
খবর পেয়ে রাতেই কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জালাল সাইফুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
পুড়ে যাওয়া দোকানগুলোর মধ্যে ওষুধের দোকান, মিষ্টির দোকান, মুদির দোকান, মুরগির দোকান, প্লাস্টিকের দোকান ও খাবার হোটেল রয়েছে।
মিষ্টির দোকানি হানিফ মিয়া জানান, তিনি বিকেলেই চুলা নিভিয়ে ফেলেন। রাত আটটার দিকে দোকান বন্ধ করেন তিনি। হঠাত্ করে তাঁর দোকানে আগুন লাগার খবর পান।
চারগাছ বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, আগুনে ৪১টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে কমপক্ষে দুই কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।
কসবার কুটি চৌমহনী ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা আবুল বাশার ভূঁইয়া বলেন, ‘ধারণা করা হচ্ছে, মিষ্টির দোকানের বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।’
কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জালাল সাইফুর রহমান বলেন, আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত দোকানের তালিকা তৈরি করে প্রকৃত ক্ষতির পরিমাণ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে।