
সায়েরা বাড়ি জেলার বিজয়নগর উপজেলার সেজামুড়া গ্রামে। তাঁর ভাষ্যমতে, মুক্তিযুদ্ধে তিনি ৩ নম্বর সেক্টরে যুদ্ধ করেন।
হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে রোববার সায়েরা বলেন, ‘১৯৭১ সালে যা করেছি, নিজের ইচ্ছায় করেছি। মনে হইছে, দেশটারে বাঁচাইতে হইব। তবে দুঃখ, রাষ্ট্র আমারে স্বীকৃতি দেয় নাই।’
মুকুন্দুপুর সাবসেক্টরের কমান্ডার মেজর জেনারেল (অব.) সায়ীদ আহমেদ বলেন, ‘রাজাকার বাবার মেয়ে সায়েরা মুকুন্দুপুর ক্যাম্পে অবস্থান নেওয়া শত্রু ও অস্ত্রশস্ত্র সম্পর্কে তথ্য দিতেন মুক্তিযোদ্ধাদের। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ১৯৭১ সালের ১৮ ও ১৯ নভেম্বর শত্রুর অবস্থানের ওপর আক্রমণ করে সফল হই।’