The voice of Brahmanbaria || Local news means the world is

বড় মাদ্রাসায় তাবলীগ জামাতের সাংবাদিক সম্মেলন

প্রতিবেদক : সোমবার সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বড় মাদ্রাসায় তাবলীগ জামাতের এক সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে । গত কয়েক দিন ধরে চলা আন্দোলন নিয়ে সবার ধারণা স্পষ্ট করতেই এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সাংবাদিক সম্মেলনে ঘটনার বিষয়ে বক্তব্য তুলে ধরেন, মাওলানা আশেকে এলাহী ইব্রাহীমী,মুফতী মোবারক উল্লাহ,মাওলানা সাজেদুর রহমান,মাওলানা রহমতুল্লাহ,মাওলানা বেলায়েতুল্লাহ,মুফতী আবদুল হক,মাওলানা আবদুল হাফিজ,মুফতী জাকারিয়া খান,হাফেজ খায়রুল ইসলাম,মুফতী এনামুল হাসান,হাফেজ এরশাদ উল্লাহ প্রমুখ।

তারা তাবলীগ জামাতের লোকজনের ওপর হামলাকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও দ্রুত বিচার আইনে বিচার দাবী করেন। তারা বিজয়নগরের চাউরা গ্রামের সুন্নী মতাবলম্বীদের নেতা নাঈমুদ্দিন আল ক্বাদরীকে সকল ঘটনার উস্কানীদাতা হিসেবে চিহ্নিত করে তাকে গ্রেফতার করার দাবী জানান।

 

সাংবাদিক সম্মেলনে সৃষ্ট উত্তেজনার বিষয়ে জানানো হয়,গত ৩ রা মার্চ বিজয়নগর উপজেলার চর ইসলামপুরের মাওলানা বোরহান উদ্দিনকে ফেসবুকে একটি প্রশ্ন করা হলে তিনি কোরআন হাদিসের আলোকে এর জবাব দেন। এই জবাবকে কেন্দ্র করে ক্ষিপ্ত হয়ে চর ইসলামপুরের সর্দার-মাতব্বররা বোরহানের বাড়ি জ্বালিয়ে দেয়ার হুমকী দেয় এবং তার চাচাকে জুতার মালা পড়িয়ে লাঞ্চিত করে। ৫ ই মার্চ ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় পৌর মেয়র হেলাল উদ্দিনের উপস্থিতিতে এ ঘটনার শান্তিপূর্ন মীমাংসা হয়। এতে সিদ্ধান্ত হয় ইসলামপুর ইউনিয়নের প্রতিটি মসজিদে তাবলীগ জামাত যাবে এবং তাদের কার্যক্রমে কেউ বাধা দিতে পারবেনা। এরপর ৬ ই মার্চ ঐ এলাকার নাজিরা বাড়ি মসজিদে মাওলানা আবু বকরের নেতৃত্বে ত্রিশ সদস্যের তাবলীগ জামাতের একটি দল যায়। ঐদিন সন্ধ্যায় মসজিদে ঢুকে তাদের সবার ওপর হামলা চালানো হয় এবং বেধড়ক মারধোর করা হয়। হামলায় আহতরা জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।


সাংবাদিক সম্মেলনে এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার সকল আসামীদের গ্রেফতার ও দ্রুত বিচার আইনে বিচার দাবী করা হয়।


এদিকে,হ্নদরোগে আক্রান্ত হয়ে বৃদ্ধের মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটি মাদ্রাসাসহ বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে ভাঙ্গচুর করা হয় বলে অভিযোগ করেন জেলার শীর্ষ আলেম-উলামারা।

উল্লেখ্য, পুলিশ এই মামলার  এজাহারনামীয় ১৬৬ আসামীর মধ্যে ১৭ জনকে গ্রেফতার করে। জেলার আলেম-উলামাদের বাকী আসামীদের গ্রেফতারে কঠোর আন্দোলনের হুমকীর মুখে পুলিশ বাকী আসামীদের গ্রেফতারে তৎপর হয়।

Exit mobile version