The voice of Brahmanbaria || Local news means the world is

কসবায় পূর্ব শক্রতার জের ধরে প্রতিপরে হামলায় ফরিদ মিয়ার বাড়িঘর ভাংচুর

কসবা  প্রতিনিধি ঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা পৌরসভার দক্ষিণ কসবায় পূর্বশক্রতার জের ধরে নিরহ ফরিদ মিয়ার বাড়িতে গত মঙ্গলবার সকালে দ্বিতীয় বারের মত হামলা চালিয়ে তার পরিবারের সদস্যদেরকে আহত করে। এসময় ঘর বাড়ির ব্যাপক ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। প্রত্যর্শী সূত্র জানায়, দক্ষিণ কসবা গ্রামের ফরিদ মিয়ার (৫৫) সাথে প্রতিবেশী মিলন মিয়া গংদের সাথে পূর্বশক্রতার জের ধরে মামলা মোকাদ্দোমার বিরোধ চলে আসছিল। প্রতিপক্ষের অন্যায় অত্যাচারের ফলে গত ১২ সেপ্টেম্বর কসবা থানা মামলা নং-১৫ মিলন মিয়া(৫৫)পিতা মৃত্যু হিজু মিয়াসহ ১০জনকে আসামী দিয়ে ফরিদ মিয়া বাদি হয়ে মামলা দায়ের করা হয়। আসামী মিলন মিয়া বিজ্ঞ আদালতে হাজির হলে আদালত কর্তৃক তাকে জেলা হাজতে প্রেরণ করেন। আসামী মিলন মিয়া জাবিনে বাড়িতে এসেই ফরিদ মিয়ার অবর্তমানে তার বাড়িতে গিয়ে মিলন মিয়ার লোকজন দ্বিতীয় দফায় হামলা চালিয়ে মহিলাদেরকে আহত করে বাড়ি ঘর ভাংচুর সহ দাঁ দিয়ে কুপিয়ে ব্যাপক  ক্ষতিসাধন, ঘরের মালামাল লুটপাট করেন। ফরিদ মিয়ার দায়ের করা  মামলা তুলে না নিলে বা এই হামলার বিষয়ে পুনরায় মামলা দায়ের করলে হত্যার হুমকি দেয় হামলাকারীরা। হামলাকারীদের ভয়ে ফরিদ মিয়া জীবন রক্ষার্থে পালিয়ে বেড়াচ্ছে।  ফরিদ মিয়ার আহত স্ত্রী আনোয়ারাকে কসবা সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। ফরিদ মিয়ার স্ত্রী আনোয়ারা বেগম বাদি হয়ে কসবা থানায় এই ঘটনায় এজাহার দিলে অফিসার ইনচার্জ মো. বদরুল আলম তালুকদার আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কসবা থানার উপ পুলিশ পরিদর্শক মো.মজিবুর রহমান(২) সরেজমিনে তদন্তের জন্য পাঠান। তদন্ত কর্মকর্তা সরেজমিনে এসে হামলার ঘটনা সত্যতা খুজে পেলেও প্রভাবশালীদের প্রভাবের ফলে মামলাটি এফ আই আর না করে মিমাংসার জন্য চাপাচাপি করছেন বলে বাদী কসবা উপজেলা প্রেসকাবে এসে গতকাল (শুক্রবার)সকালে অভিযোগ করেন। প্রকাশ্য দিনের আলোতে হামলার ঘটনাটি এফ আই আর না করার ফলে আসামীদের দিন দিন মাথাচারা দিয়ে উঠেছে। যার ফলে  প্রতিপক্ষরা একের পর এক মিথ্যা মামলা আর হামলা চালিয়ে বাড়িঘর ভাংচোর, মালামাল লুটপাট সহ ভয়ভিতি প্রদর্শণ করে নিরহ ফরিদ মিয়ার জমি জায়গা দখলের পায়তারার চেষ্টা করছে বলে ভুক্তভোগি পরিবারটি জানান। খালের উপর বাড়িতে যাওয়ার কাঠের একমাত্র চলাচলের সেতুটি ভেংগে ফেলে দিয়েছে। স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে বাদির ছোট ছোট ছেলে মেয়ে ও মৌলভিবাজার বসবাসরত মাওলানা আলাউদ্দিনকে পরিকল্পিত ভাবে একটি মিথ্যা মামলার আসামী দিয়ে হয়রানী করার অভিযোগও করেছেন।
অপরদিকে প্রতিপক্ষের এই জঘন্যতম হামলার শিকারের কসবা থানায় দেওয়া কৃত এজাহারটি পুনরায় সরেজমিনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশ সুপারের মাধ্যমে দন্তক্রমে জরুরি ভিওিতে মামলাটি এফআইআর করে বাদী পক্ষের জানমাল রার্থে অপরাধীদের গ্রেফতারের মাধ্যমে ন্যায় বিচারের দাবী করেন ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারটি।

Exit mobile version