The voice of Brahmanbaria || Local news means the world is

দ্বিতীয় দিনের হরতালে উত্তপ্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া



সুমন নূর : পুলিশ-পিকেটার সংঘর্ষ,বিভিন্ন পয়েন্টে ককটেল বিস্ফোরণ এবং পিকেটার তাড়াতে পুলিশের গুলির ঘটনায় দ্বিতীয় দিনের হরতালে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া। বন্ধ রয়েছে সব ধরণের যানবাহন চলাচল। বন্ধ দেকানপাট।

সকাল পৌনে ১০ টার দিকে কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহর বাইপাস সড়কের পুনিয়াউট বাসষ্ট্যান্ডে পিকেটিং করার সময় পুলিশ পিকেটারদের বাধা দেয়। এরপরই দু-পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এতে অন্তত ৫ জন আহত হয়। পুলিশ পিকেটারদের তাড়াতে ২০ রাউন্ড সাটারগানের গুলি এবং ৬ রাউন্ড টিআর সেল নিক্ষেপ করে। পুলিশ জানায়,পিকেটাররা যানবাহন ভাংচুর করতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়।এতে ক্ষিপ্ত হয়ে পিকেটাররা পুলিশের উপর হামলা করে। পিকেটাররা এ সময় বাইপাস সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করে রাখে। পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে ২০ রাউন্ড সাটারগানের গুলি এবং ৬ রাউন্ড টিআর সেল নিক্ষেপ করে।
এঘটনাকে কেন্দ্র করে বেলা ১২টার দিকে সদর হাসপাতাল এলাকায় ছাত্রলীগ-ছাত্রদল, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

অন্যদিকে বেলা ১১ টার দিকে সুলতান পুড়ে আওয়ামীলীগ -বিএনপির সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। এতে তিন সহোদরসহ অন্তত দশজন আহত হয়েছে। আশংকাজনক অবস্থায় এক জনকে ঢাকা প্রেরণ করা হয়েছে। তবে পুলিশ বলছে, এটা পারিবারিক দ্বন্দ নিয়ে সৃষ্ট সংঘর্ষ, একে রং মাখীয়ে দলীয়ভাবে নেয়া হচ্ছে।

এদিকে কান্দিপাড়া এলাকায়ও পুলিশ-পিকেটার ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এসময় প্রায় ৩০ টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে।

এছাড়াও ঘটুরা এবং শেরপুরে পুলিশের সাথে পিকেটারদের সংঘর্ষ হযেছে। এসব স্থানেও একাধিক ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটে।

পুলিশ জানায়, বিভিন্ন স্থান থেকে ৫জনকে আটক করেছে।

Exit mobile version