বন্দরের ভারতীয় অংশে অনুষ্ঠিত এ পতাকা বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে বিজিবি কুমিল্লা সেক্টরের উপ- অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্ণেল রবিউল আলম এবং বিএসএফের পক্ষে ত্রিপুরা ফ্রন্টএয়ার এর নোডাল কর্মকর্তা বিএস রাওয়াত নেতৃত্ব দেন। এ সময় বিজিবি ১২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্ণেল মোস্তাফিজুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
আখাউড়া স্থলবন্দর আমদানি-রফতানিকারক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন বাবুল বণিক বার্তাকে জানান, সোমবার বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি বন্ধ ছিল। এর কিছুক্ষণ পর প্রথমে পাথর রফতানি শুরু হলেও মাছ রফতানি শুরু হয় দুপুর ১২টার দিকে। ফলে বন্দর এলাকার প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকা জুড়ে রফতানির পণ্যবাহী ট্রাক আটকা পড়ে।
পতাকা বৈঠক শেষে বিজিবি কুমিল্লা সেক্টরের উপ-অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্ণেল রবিউল আলম জানান, বিএসএফ আইন অমান্য করে কাঁটা তারের বেড়া নির্মাণের জন্য বক্স কালভার্ট নির্মাণের চেষ্টা করেছিল। কিন্তু আমরা তাদের সাফ জানিয়ে দিয়েছি কালভার্ট নির্মাণ করতে হলে আগে এর নকশা আমাদের কাছে দিতে হবে। আমাদের সদর দপ্তর এর অনুমতি দিলেই কেবল তারা কালভার্ট নির্মাণ করতে পারবে।
প্রসঙ্গত, গত ৩১ জানুয়ারি বিএসএফ সদস্যরা আখাউড়া স্থলবন্দরের নো-ম্যান্স ল্যান্ডের ২০২৩/৫ এস থেকে ২০২৩/৬ এস সীমান্ত পিলারের মাঝামাঝি কালভার্ট নির্মাণের জন্য কাজ শুরু করলে বিজিবি’র বাঁধার মুখে বন্ধ রাখে। কিন্তু গত ৪ জানুয়ারি শনিবার দুপুরে তারা আবারও মাটি কাটার যন্ত্র এবং পানি সেচের যন্ত্র নিয়ে ওই স্থানে কাজ শুরু করে। এ সময় বিজিবি’র আপত্তিতে মাটি কাটার যন্ত্র সরিয়ে নিলেও বিকেল পর্যন্ত পানি সেচ অব্যাহত রাখে। এ নিয়ে দু’দেশের সীমান্ত রক্ষীদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল সোমবার পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।