
এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে সার্ভারে ক্রটি দেখা দিলে যাত্রী পারাপার বন্ধ হয়ে যায়।ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে বেলা ১টার দিকে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে হাতে লিখে ইমিগ্রেশন কার্যক্রম চালু করা হয়। এরই মধ্যেই সাত থেকে আট শ যাত্রী আটকা পড়েন। অনেকে ভারতে গিয়ে বিমান ধরতে পারেননি। ফলে তারা ফেরত চলে যান।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আখাউড়া ইমিগ্রেশনে তিনটি কম্পিউটার ডেস্ক রয়েছে। এর মধ্যে দুটি ডেস্কে বহির্গমন এবং একটিতে আগমনী যাত্রীদের ইমিগ্রেশন কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। বৃহস্পতিবার সকাল আটটার দিকে সার্ভারে জটিলতা দেখা দিলে ইমিগ্রেশন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। তীব্র গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েন যাত্রীরা।পরে বৃষ্টি হলে ভোগান্তি আরো বাড়ে।
ইমিগ্রেশন পুলিশের ইনচার্জ হাসান আহমেদ ভূঁইয়া জানান, বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়। বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকা থেকে প্রকৌশলী এসে কাজ শুরু করেন। শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে সার্ভার সচল হলে যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক হয়।