
তবে জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট তাসলিমা সুলতানা খানম নিশাত জানান, সম্মেলনের তারিখ তাকে জানানো হয়নি অথচ তার নাম ব্যবহার করে পোস্টার-নিমন্ত্রণপত্র করা হয়েছে। তিনি প্রস্তুতি নিয়ে জাঁকজমকপূর্ণ সম্মেলন করার জন্য সম্মেলনের তারিখ পেছাতে বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির কাছে লিখিত আবেদন করেছেন। সম্মেলনের বিষয়ে কোনো কিছু না জানলেও তার নাম ব্যবহার করে পোস্টার-নিমন্ত্রণপত্রসহ যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনা করার প্রতিবাদ জানান।
জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের বর্তমান কমিটির কার্যক্রম একাধারে প্রায় ১৯ বছর ধরে চলছে। ১৯৯৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি সর্বশেষ সম্মেলন হয়। তখন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ৪৫ জনের নাম ঘোষণা করা হয়। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কমিটি ছিলো ৫১ সদস্যের। বাকী কয়েকজনের পদ পূরণ হয়নি দেড় যুগেও। ৪৫ সদস্যের মধ্যে মারা গেছেন কয়েকজন। শারীরিক অসুস্থতাসহ নানা কারণে সক্রিয় নন আরো কয়েকজন। এ অবস্থায় সম্মেলন ও নতুন নেতৃত্ব অপরিহার্য হয়ে পড়ে।
তাই চলতি মাসের ৭ ফেব্রুয়ারি জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ সম্মেলন করার তাগিদ দেন। জেলা মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রীরা জানিয়েছেন, তারা আরো আগেই বেশ কয়েকবার সম্মেলনের তারিখ চেয়েছেন। কিন্তু কেন্দ্র সাড়া দেয়নি। এখন ঘটা করেই তারিখ দিয়ে দেয়া হয়েছে। জেলা পরিষদ মিলনায়তনে সকাল ১০টায় এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এতে কেন্দ্রীয় মহিলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দসহ সিনিয়র নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়।