The voice of Brahmanbaria || Local news means the world is

সীমান্ত হাট সৃষ্টিতে আগ্রহী রাজ্য সরকার

আগরতলা ২৭ জুন (এ.এন.ই ): সীমান্ত হাট ভারত ও বাংলাদেশের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের নিদর্শন। দুই দেশের সীমান্তে দুর্গম অঞ্চলে ঐতিহ্যপূর্ণ ব্যবসাকে স্থানীয়ভাবে উৎসাহ প্রদানের লক্ষ্যে মেঘালয়ে ২০১১ সালে প্রথম সীমান্ত হাটটি স্থাপিত হয়। প্রথাগত আমদানি রপ্তানি ব্যবসার জটিলতা না থাকার দরুন দুই দেশের পণ্য সামগ্রীর ব্যবসায় স্থানীয় বাসিন্দারা বিশেষভাবে উৎসাহিত হন।

বিধানসভায় এক দৃষ্টি আকর্ষণীয় নোটিশের ভিত্তিতে মুখ্যমন্ত্রী তথা রাজ্যে শিল্প বাণিজ্য দপ্তরের মন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব বলেন, বর্তমানে ত্রিপুরা-বাংলাদেশ সীমান্তে ২টি সীমান্ত হাট ব্যাপক জনপ্রিয়। এই সীমান্ত ‘হাটের বাণিজ্য শুধুমাত্র স্থানীয় অর্থ নীতির উন্নয়নই করে না, দুই দেশের মানুষের মধ্যে আত্মিক মেলবন্ধনও ঘটায়। তিনি বলেন, ২০০২ সালে ত্রিপুরা-বাংলাদেশ সীমান্তে ৮টি স্থানে সীমান্ত হাট খোলার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রকের নিকট অনুমতির জন্য নাম পাঠানো হয়েছিল। সেগুলি হল, বামুটিয়া, শ্রীনগর, একিনপুর, পালবস্তি, কমলপুর, হীরাছরা, কমলাসাগর এবং বক্সনগর। তিনি বলেন, ২০১২ সালে কেন্দ্রীয় সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রক ৪ টি সীমান্ত হাটের যথা কমলাসাগর, শ্রীনগর, পালবস্তি এবং কমলপুরের অনুমোদন দেয়। গত ২০১৩ বাংলাদেশ সরকার, কেন্দ্রীয় সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রকের মাধ্যমে শ্রীনগর ও কমলাসাগর সীমান্ত ‘হাট খোলার সম্মতি জানায়। কেন্দ্রীয় সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রকের অনুমতি পেলে এবং বাংলাদেশ সরকারের সম্মতিক্রমে অবশিষ্ট ৪টি স্থানে একিনপুর, বামুটিয়া, হীরাছরা এবং বক্সনগর সীমান্ত হাট খোলার কাজ শুরু করা যাবে। অনুমোদন পাওয়ার পর হার্ট নির্মাণের কাজ শুরু করা হবে। তিনি বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সীমারেখায় দুই পাশে উভয় দেশ থেকে সমপরিমাণ জায়গার উপর সীমান্ত হাট স্থাপন করা হয়। সীমান্ত হাটকে তারজালি দিয়ে ঘেরাও করা হয় এবং দুদিকে দুটি প্রবেশ পথ রাখা হয়। উভয় দিকে বিক্রেতাগন বসার জন্য টিনের শেড নির্মাণ করা হয়। সীমান্ত হাট থেকে ৫ কিমি ব্যাসার্ধের মধ্যে বসবাসকারী নাগরিকেরা ক্রেতা হিসাবে গণ্য হন এবং নিদিষ্ট ৫০ জনকে লাইসেন্স যুক্ত বিক্রেতা হিসাবে নির্বাচিত করা হয়। তিনি বলেন, প্রতিটি ক্রেতা প্রতি হাটে ২০০ ডলার করে পণ্য ক্রয় করতে পারেন। দুই দেশের সংশ্লিষ্ট জেলার অতিরিক্ত জেলাশাসক স্তরের আধিকারিকেরা হাটের কাজ তত্ত্বাবধান করেন।

Exit mobile version