
২০০৯ সাল থেকে একেবারেই অকেজো হয়ে পড়ে আছে এম্বোলেন্সটি। বিত্তশালীরা জেলা শহর থেকে প্রাইভেট এম্বোলেন্স দিয়ে রোগী নিচ্ছেন জেলা সদর ও ঢাকায়। কিন্তু গ্রামগঞ্জ থেকে আসা অসহায় দরিদ্র রোগীদের দূর্ভোগের শেষ নেই। অনেক নাকানি ছুবানি খেয়ে তারা রোগী বহন করছেন গত ৯ বছর ধরে। এম্বোলেন্স চেয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অগণিত পত্র লিখেছেন উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের কাছে। মন গলেনি তাদের।
অবশেষে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও হাসপাতাল পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি এডভোকেট জিয়াউল হক মৃধা সংসদে একাধিকবার এম্বোলেন্স চেয়ে প্রধানমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। এমপি’র আবেদনে সাড়া দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। সরাইল হাসপাতালকে উন্নতমানের অত্যাধুনিক একটি অ্যাম্বুলেন্স দিয়েছেন। গতকাল রোববার আনুষ্ঠানিক ভাবে ফিতা কেটে এম্বোলেন্সটির উদ্ভোধন করেছেন এমপি মৃধা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- সহকারি কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আইনুল ইসলাম, সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার (সরাইল সার্কেল) মো. মনিরুজ্জামান ফকির ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো. শের আলম মিয়া।