
রোববার ১২টার সময় সরেজমিনে গিয়ে দেখাযায়, রোগীদের দীর্ঘ লাইন অধিকাংশ কক্ষে তালা ঝুলানো। আজকে কর্মস্থলে যারা ছিলেন তারাও কিছু সময় রোগী দেখে চলে গিয়েছে। আর বাইরে রোগীদের লম্বা লাইন জরুরী বিভাগে রোগী দেখছেন ডাঃ আনাস ইবনে মালেক, আবাসিক মেডিকেল অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) । তিনি এতো রোগী দেখতে গিয়ে হিমসিম খাচ্ছিলেন। এসময় আউট ডোরে রোগীদের দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। এসময় রোগী দেখছিলেন ডাঃ জাহিদুল ইসলাম(কার্ডিলজি বিশেষজ্ঞ) । ডাঃ শামীমা রহমান ( গাইনী বিশেষজ্ঞ), উনি ১২:৩০টার দিকে কর্মস্থল থেকে চলে যায়। ডাঃ তানজিনা ইসলাম কে তখন উপস্থিত পাওয়া যায়নি, উনি অনেক আগেই চলে যায়। এসময় রোগীর চাপ দেখে দন্ত চিকিৎসক সহকারী মোঃ ইমরান হোসেন আউটডোরে চিকিৎসা দিতে দেখা যায়।
আর ডাঃ নাইমা চৌধুরী, ডাঃ নুরুল হুদা, ডাঃ ফরিদা ইয়াসমিন এই তিন জন ডাক্তার রয়েছেন ছুটিতে। ডাঃ কাজী ফারুকী রয়েছেন অনুপস্থিত অন্যদের ছুটির দরখাস্ত থাকলেও উনার দরখাস্ত পাওয়া যায়নি।
আউটডোরে দন্ত চিকিৎসক সহকারী মোঃ ইমরান হোসেন চিকিৎসা দিতে পারে কিনা যানতে চাইলে ডাঃ আনাস ইবনে মালেক(আবাসিক মেডিকেল অফিসার) বলেন, চিকিৎসক সংকট তাই বাধ্য হয়ে উনাকে সাধারণ চিকিৎসা দিতে বলা হয়েছে।