
সরাইল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত ব্রাদার রাজিব হোসেন রাজু বলেন, রোগীকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেরণ করার পরেই জরুরি বিভাগে ভাংচুর চালায়। কর্তব্যরত চিকিৎসকের ওপর হামলা চালাতে তেড়ে আসে পরে আমরা তাদের থামানোর চেষ্টা করি। পরে হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে খবর দিলে স্যার পুলিশকে জানায়। পুলিশ ঘটনা স্থলে এসে সবকিছু দেখে যায়।
এই বিষয়ে এইচ এম বাবুল মিয়া’র মুঠোফোনে জানতে চাইলে তাকে পাওয়া যায়নি। সরাইল থানার উপ-পরিদর্শক জাকির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ডাঃ নোমান মিয়া বলেন, সন্ধ্যা ৬:৩০টার দিকে মহিষের আঘাত নিয়ে একটি বাচ্চা হাসপাতালে আসে তাকে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে। এসময় মেয়েটির সাথে থাকা মহিলা জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। পরে তাকে পাশেই দেখতে গেলে এইচ এম বাবুল এবং মোস্তাকিম নামের দুই ব্যক্তি কর্তব্যরত চিকিৎসক এবং জরুরি বিভাগে হামলা চালায়। এই বিষয়ে সরাইল থানায় সাধারণ ডায়েরি করার প্রস্তুতি চলছিল ।