The voice of Brahmanbaria || Local news means the world is

সরাইলে বিয়ের ৭ মাসেই নববধূর আ×ত্মহ×ত্যা, স্বামীর বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে দুবাইপ্রবাসী স্বামীর পরকীয়ার অভিযোগে মানসিক যন্ত্রণা ও অভিমানে সেতু আক্তার কারিমা (২৪) নামে এক নববধূ আ×ত্মহ×ত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে নিহতের পরিবার।
শনিবার (২৫ জুলাই) সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। এর আগে শুক্রবার (২৪ জুলাই) সন্ধ্যায় উপজেলার শাহবাজপুর গ্রামের নাথপাড়া এলাকায় স্বামীর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সেতু আক্তার কারিমা বিজয়নগর উপজেলার চান্দুরা ইউনিয়নের জালালপুর গ্রামের পূর্বভাগ এলাকার ফরিদ মিয়ার মেয়ে। তার স্বামী সুমন মিয়া (৩৫) সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর গ্রামের জলুমত মিয়ার ছেলে। তিনি বর্তমানে দুবাইয়ে প্রবাসী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার দুপুরে মোবাইল ফোনে স্বামী সুমনের সঙ্গে কারিমার বাকবিতণ্ডা হয়। এর কিছুক্ষণ পর নিজ ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁ×চিয়ে তিনি আ×ত্মহ×ত্যা করেন বলে অভিযোগ। পরে স্বজন ও প্রতিবেশীরা দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়।
নিহতের বোন রত্না অভিযোগ করে বলেন, প্রায় সাত মাস আগে পারিবারিকভাবে সুমনের সঙ্গে কারিমার বিয়ে হয়। দুজনেরই এটি দ্বিতীয় বিয়ে। বিয়ের পর কারিমা জানতে পারেন, তার স্বামী সুমনের সঙ্গে ভাসুরের স্ত্রী মুক্তা বেগমের পরকীয়ার সম্পর্ক রয়েছে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর গত এক সপ্তাহ ধরে সুমন কারিমার সঙ্গে ঠিকমতো কথা বলছিলেন না। শুক্রবার মোবাইল ফোনে সুমন তাকে মানসিকভাবে কষ্ট দেন। এ কারণে অভিমানে কারিমা আ×ত্মহ×ত্যা করেছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
রত্না আরও বলেন, এই ঘটনার পেছনে যারা দায়ী, তাদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।
সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনজুর কাদের ভূঁইয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এক নববধূর গ×লায় ফাঁ×স দেওয়ার খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
Exit mobile version