
এ ২ সহস্রাধিক শিক্ষার্থী ১ বছরের জন্য পিছিয়ে পড়েছে। আবার এখান থেকে অনেকেই ঝড়ে পড়ারও সম্ভাবনা রয়েছে। তাই ফলাফল বিপর্যয়ে হতাশ হয়ে ইউএনও গত ৩ ডিসেম্বর বুধবার (স্মারক নং-০৫.৪২.১২৯৪.০০০.০৪.০০৪.১৭-১৩) ২২ টি বিদ্যালয় ও ২টি মাদরাসার প্রধানকে শোকজ করেছেন। এ বিপর্যয়ের সঠিক কারন ব্যাখ্যাসহ পত্র প্রাপ্তির ০৫ (পাঁচ) কর্মদিবসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন। সবচেয়ে বেশী খারাপ করেছে ধর্মতীর্থ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (৯.২১ ভাগ)। এরপর ক্রমানুসারে পানিশ্বর উচ্চ বিদ্যালয় (২৬.৮৭ ভাগ), শাহজাদাপুর উচ্চ বিদ্যালয় (২৭.৪৬ ভাগ), সরাইল সদর উচ্চ বিদ্যালয় (২৭.৫৭ ভাগ), জয়ধরকান্দি আলীম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় (২৭.৭৮ ভাগ), নোয়াগাঁও উচ্চ বিদ্যালয় (২৯.১০ ভাগ), কুট্রাপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় (২৯.১৯ ভাগ),সামছুল আলম উচ্চ বিদ্যালয় (৩৫.৬৬ ভাগ), আলহাজ্ব নূরুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয় (৩৮.৩০ ভাগ), কালিকচ্ছ পাঠশালা উচ্চ বিদ্যালয় (৩৮.৫৩ ভাগ), শাহবাজপুর বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয় (৩৮.৮৩ ভাগ), দেওড়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় (৩৯.২৭ ভাগ), অরুয়াইল বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয় (৪১.৩৭ ভাগ), ধামাউড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (৪১.৯৪ ভাগ), হাজী মুকসুদ আলী নি¤œমাধ্যমিক বিদ্যালয় (৪৫.২৪ ভাগ), বেড়তলা উচ্চ বিদ্যালয় (৪৭.৪৬ ভাগ), চুন্টা এসি একাডেমি (৪৮.৩৫ ভাগ), নোয়াগাঁও শেখ আশরাফ নি¤œ মাধ্যমিক বিদ্যালয় (৫২.৭০ ভাগ), সরাইল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (৫৮.৮৭ ভাগ), পাকশিমুল হাজী শিশু মিয়া উচ্চ বিদ্যালয় (৬০.২০ ভাগ), সৈয়দা হুছেনা আফজাল বালিকা বিদ্যালয় (৬৩ ভাগ)। আর গোটা উপজেলায় সবচেয়ে ভাল ফলাফল করেছে সরাইল অন্নদা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় (৭৭.২৪ ভাগ)। এ ছাড়া সরাইল রাহমাতুল্লিল আল-আমিন দাখিল মাদরাসা ও পানিশ্বর মাদিনিয়া গাউছিয়া দাখিল মাদরামাকেও শোকজ করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে ইসরাত শোকজ করার কথা স্বীকার করে বলেন, এখানকার জেএসসি’র ফলাফলে হতাশাব্যঞ্জক। বিপর্যয়ের কারন জানা দরকার। তাই শোকজ করেছি।