ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে ওয়াজ মাহফিলে যাওয়ার পথে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীকে অপহরণ ও যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ছয়জনকে আসামি করে মামলা করেছেন কিশোরীর মা। অভিযুক্তদের মধ্যে একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাতে সরাইল থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়। গ্রেফতার বাহার মিয়া (২২) উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের বাড়িউড়া গ্রামের বাসিন্দা। মামলার অন্য আসামিরাও একই গ্রামের বাসিন্দা।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৭ অক্টোবর রাত ৯টার দিকে নিজ বাড়ি থেকে একই গ্রামের একটি মাদরাসায় ওয়াজ মাহফিল শুনতে যাওয়ার পথে কিশোরীটি নিখোঁজ হয়। পরে রাত সাড়ে ১১টার দিকে তাকে বাড়ির পাশের একটি স্থানে অসুস্থ অবস্থায় পাওয়া যায়। এ সময় তার কান্না শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে স্বজন ও স্থানীয় লোকজন কিশোরীকে উদ্ধার করে সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখান থেকে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো
হয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক গোপাল পাল জানান, কিশোরীকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ঘটনার বেশ কিছুদিন পর হাসপাতালে ভর্তি হওয়ায় প্রাথমিক পরীক্ষায় তাৎক্ষণিকভাবে নির্যাতনের আলামত পাওয়া যায়নি। তবে কিশোরীর বক্তব্য অনুযায়ী, তার শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুর কাদের ভূঁইয়া জানান, এ ঘটনায় করা মামলার এক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। কিশোরী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
