
ফাইল ছবি : দেশীয় পদ্ধতিতে তৈরী হচ্ছে চোলায় মদ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার অরুয়াইল ইউনিয়নে সন্দেহজনকভাবে মদপানে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে এমন তথ্য ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। পরিবারের দাবির প্রেক্ষিতে পুলিশ বলছে তাদের স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। তবে পুলিশ এও বলছে যে, তারা তথ্য পাওয়ার আগেই সনাতন ধর্মের দুইজনের মরদেহ পুড়িয়ে ফেলে স্বজনরা। তাদের সাথে থাকা এক মুসলমান ব্যক্তির জানাযার সময় পুলিশ সেখানে গেলে পরিবারের লোকজন স্বাভাবিক মৃত্যুর দাবি করে। পরে পুলিশ চলে আসে।
বিষয়টি স্পর্শকাতর হওয়ায় আমরা মৃতদের নাম ও ছবি প্রকাশ করছি না। তবে তা আমাদের কাছে সংরক্ষিত আছে।
তবে নাম না প্রকাশ করার র্শতে একাধিক স্থানীয় ব্যক্তি জানিয়েছেন মদ জাতীয় স্পিরিট পানে তাদের মৃত্যু হয়েছে। অরুয়াইল কলেজ রোডের দুধ বাজার এলাকার একটি হারবাল সেন্টার থেকে সেই স্প্রিরিট সংগ্রহ করা হয়েছিল বলেও জানায় সূত্র।
সূত্রটি আরো জানায়, শুক্রবার দিবাগত রাতে একজনের ঘরে বসে তিনজনই একসঙ্গে মদপান করেন। পরে প্রত্যেকে নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে যান। বাড়িতে ফেরার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে পর্যায়ক্রমে তিনজনই মারা যান।
প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণণা মতে, সবার আগে অসুস্থ হয়ে মারা যান সনাতন ধর্মের ৪৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তি। তার মরদেহ দেখতে আসেন মুসলমান ধর্মের ৬০ বছর বয়সী অপরজন। তিনিও কিছুক্ষণের মধ্যে অসুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে মারা যান। সর্বশেষ অসুস্থ হয়ে মারা যান যার ঘরে বসে মদ পান করা হয় সেই ৫৫ বছর বয়সী সনাতন ধর্মের ব্যক্তিটি।
অরুয়াইল পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ টিপু সুলতান জানান, সকালে দাপ্তরিক কাজে তিনি সরাইলে যান। সেখানে গিয়ে ফেসবুকের মাধ্যমে খবরটি জানতে পারেন। পরে সরাইল সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সরাইল থানার ওসিসহ অরুয়াইলে যান। কিন্তু ততক্ষণে সনাতন ধর্মের দুজনের মরদেহের সৎকার করে ফেলে স্বজনরা। মুসলমান ব্যক্তির জানাযা চলমান থাকা অবস্থায় সেখানে গেলে স্বজনরা দাবি করেন স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। তাই আইনগত কোন ব্যবস্থা নেয়া যায়নি।
