
মিন্টুর পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে মিন্টু একাধিক ইটভাটার শ্রমিক সর্দারের কাজ করছেন। এছাড়া তিনি ইটভাটার মালামালও সাপ্লাই দিয়ে আসছেন। বিশ্বস্থ্যতার সাথে দায়িত্ব পালন করে মালিকদের আস্থাা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন মিন্টু। গত রোববার সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে জেলা শহরে আসেন মিন্টু। দরদি নামক ইটভাটার মালিকের দেওয়া চেক নিয়ে ইসলামী ব্যাংক থেকে ২ লাখ টাকা উত্তোলন করেন। সকাল সাড়ে ১১টার পর থেকে তার মুঠোফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। রাত ১২টার পরও যখন পরিবারের কারো সাথে মিন্টু যোগাযোগ করেনি। বাড়িতে ও যায়নি। তখনই দুশ্চিন্তায় পড়ে যায় মিন্টুর গোটা পরিবার। সকল আত্মীয় স্বজন ও পরিচিত জনদের বাড়িতে খোজ খবর নিয়ে কোথাও সন্ধান পাননি। গত সোমবার রাতে সদর মডেল থানায় এ বিষয়ে একটি সাধারন ডায়েরী করেন মিন্টুর ছোট ভাই সেলিম মিয়া।
ওদিকে পরিবারের দাবী পরিকল্পিত ভাবে মিন্টুকে অপহরণ করেছে একটি চক্র। নিখোঁজের ৪০ ঘন্টা পরও উদ্ধার হয়নি ব্যবসায়ি মিন্টু। মিন্টুর ভাই সেলিম মিয়া, মামা মোঃ ছোট্রন মিয়া সহ পরিবারের লোকজন জানায়, গ্রামে তার অনেক শক্র আছে। আর ইটভাটার ব্যবসা ও সিএনজি চালিত অটোরিকশা চুরির ঘটনায় তাকে একটি মহল বিভিন্ন সময় হুমকি দিয়ে আসছিল। এটা তাদেরই কারো কাজ।