
মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে আমরা বলব; যারা এ ঘটনায় জড়িত তাদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি দিয়ে প্রমাণ করতে হবে স্বাধীন রাষ্ট্রে এ ধরনের ধ্বংসযজ্ঞ চালানো যাবে না। ১৯৭১ সালে যেভাবে ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়েছিল, একইভাবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়েছে। এগুলো কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। আমরা কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেব।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তাণ্ডব পূর্বপরিকল্পিত উল্লেখ করে হানিফ বলেন, এমন একটা সময় স্বাধীনতার ৫০ বছরের পূর্তি হচ্ছে, যখন বাংলাদেশ সারাবিশ্বে উন্নয়নের কারণে আলোচিত।তিনি আরও বলেন, হেফাজতের যারা এখানে আছেন, তাদের কাছে তো গানপাউডার থাকার কথা না। গানপাউডারের ব্যবহার আমরা ১৯৭১ সালে দেখেছি। আর দেখেছি জামায়াতের বিভিন্ন নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে। ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে এখন নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে গানপাউডারের ব্যবহার দেখে পরিষ্কার হয়ে গেছে, হেফাজতের কাঁধে ভর করেছে জামায়াত এবং বিএনপি। তারাই এ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়েছে।
হানিফ বলেন, বিএনপির নেতারা বক্তব্য দিচ্ছেন, ২০২১ সালের মধ্যে সরকার পতন হবে। তারা কিসের ওপরে ভিত্তি করে সরকার পতনের আশা প্রকাশ করছে? দেশে তো বিএনপির সাংগঠনিকভাবে এমন কোনো তৎপরতা নেই, যেটা সরকারকে অস্থিতিশীল করতে পারে। তাদের নিজেদের সক্ষমতা নেই, তারা এখন ধর্ম ব্যবসায়ী দল হেফাজত ও জামায়াতের ওপর ভর করেছে। ভর করেছে বলেই তারা এ ধরনের কথা (সরকার পতন) বলছে।
তিনি বুধবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ক্ষতিগ্রস্থ সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন। পরিদর্শনকালে আওয়ামীলীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক সেলিম সায়েম, অর্থ ও পরিকল্পনা সম্পাদক ওয়াসিকা আহমেদ ও স্থানীয় সাংসদ র,আ,ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীসহ কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের প্রতিনিধি দলের অন্যান্যরা তার সাথে ছিল।