
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, সরকারি হিসেব অনুযায়ী দেশে ১ লক্ষ ৭৫ হাজারের বেশী সমবায়ী সমিতি আছে যেখানে এক কোটি মানুষেরও বেশী এসব সমিতির সাথে জড়িত। তিনি বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সমবায়ীদের নিয়ে কাজ করে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য সমবায়ের প্রয়োজনীয়তা সংবিধানে লিপিবদ্ধ করেন।
জেলা প্রশাসক আরো বলেন, গনতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নেতা নির্বাচন করা ও সদস্য নির্বাচনে যাচাই বাঁচাই করা সমবায়ীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, প্রতিবেশী দেশ ভারতে অনেক ভোগ্যপন্য সমবায়ের মাধ্যমে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়।
জেলাতে সকল সমবায় সমিতিদের নিয়ে একটি বুকলেট তৈরীর জন্য জেলা সমবায় কর্মকর্তাকে পরামর্শ দেন জেলা প্রশাসক। যাতে প্রতিটি সমিতির কার্যক্রমের অগ্রগতি জানা যাবে। নারীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সরকার বিভিন্ন জায়গায় সুযোগ তৈরী করে দিচ্ছে বলে জেলা প্রশাসক বলেন, সঞ্চয়ের ক্ষেত্রে সঠিকভাবে যাচাই করে করতে হবে। তিনি বলেন,সমবায় সমিতিগুলোকে মৎস্য ও পশু পালন এবং উৎপাদনমুখী কাজে সম্পৃক্ত হতে হবে। এতে কোন সহযোগীতার প্রয়োজন হলে আপনারা ঐক্যবদ্ধ হয়ে আসবেন আমরা অবশ্যই করব।
অনুষ্টানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মোঃ আব্দুর রহমান।
আলোচনা সভার পূর্বে একটি র্যালী শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।