
খবর পেয়ে পুলিশ ও এলাকাবাসী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। তাৎক্ষনিকভাবে ওয়ার্ড কাউন্সিলর বাবুল মিয়াসহ এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ শিক্ষকদের সাথে আলোচনায় বসেন। এ বিষয়ে থানায় কোনো অভিযোগ না দিতেও শিক্ষকদেরকে অনুরোধ করা হয়।
প্রধান শিক্ষক শেখ মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘১০ ফেব্রুয়ারি আমাদের বিদ্যালয় মাঠে একটি সরকারি কর্মসূচিতে দুজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা আসবেন। এ কারণে সবার সঙ্গে পরামর্শ করে বিদায় অনুষ্ঠান সংক্ষিপ্ত করা হয়। দুই-তিনজন ছাত্র বক্তব্য দিলেও আরো কয়েকজনকে সুযোগ দেওয়ার আবদার জানায় তারা। এ নিয়ে কয়েকজন অহেতুক উত্তেজিত হয়ে যায়।’ তারা বিদ্যালয় ভবনের একাধিক দরজা জানালা ভাঙচুর করে। এ ব্যাপারে ওয়ার্ড কাউন্সিলর বাবুল মিয়া বলেন, শিক্ষার্থীরা কিছু ঝামেলা করেছে। বিষয়টি সামাজিকভাবে মীমাংসার জন্য চেষ্টা চলছে। পুলিশ সহ এলাকার লোকজন এসে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন।
এ ব্যাপারে আখাউড়া থানার এস.আই মোঃ নাজমুল হোসেন বলেন, কিছু শিক্ষার্থী হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে বলে আমাদেরকে মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।