
সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য দেন খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর আসনের সংসদ সদস্য র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এমপি, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর ড. মিজানুর রহমান, কবি আবু হাসান শাহরিয়ার, সাংবাদিক রাজীব নূর, গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের সহসম্পাদক চন্দন রেজা, স্টেট ইউনিভার্সিটির শিক্ষক ফিরোজ চৌধুরী প্রমুখ।
সংহতি সমাবেশ থেকে সুরসম্রাট আলাউদ্দিন খাঁ সঙ্গীতাঙ্গনে অগ্নিসংযোগ ও পুরান কাচারি এলাকায় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বরে থাকা বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে দ্রুত দোষীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি তোলেন বক্তারা।
শহরজুড়ে মাদ্রাসা ছাত্রদের হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের সময় জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নির্লিপ্ত ভূমিকা পালন করেছে বলে অভিযোগ করে বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানান খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম।
র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এমপি বলেন, ‘যারা এ বর্বর ঘটনা ঘটিয়েছে, তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী। ঘটনাটির সার্বিক দিক বিশ্লেষণ করলে বুঝা যায়, এটি পূর্ব-পরিকল্পিত।