
সদর মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মঈনুর রহমান মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জাগো নিউজকে জানান, নেশাগ্রস্ত আলমগীরের বাবা তার পুত্রবধূ হালিমার নামে একটি জমি রেজিস্ট্রি করে দেন। কিন্তু আলমগীর হালিমাকে ওই জমিটি তার নামে রেজিস্ট্রি করে দেয়ার জন্য চাপসৃষ্টি করতে থাকে। এ নিয়ে তাদের মধ্যে কলহ চলে আসছিল।
নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত স্বামী আলমগীরকে গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান চলছে।