
ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থেকে কাজে মনোনিবেশ করার পরামর্শ দিয়েছেন তারা। জনভোগান্তি এড়াতে আইন অনুযায়ী কাজ করার জন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্দেশনা দেন মন্ত্রী। কারও টেবিলে অহেতুক যেন কোনো ফাইল পড়ে না থাকে, সে বিষয়েও কর্মকর্তাদের সতর্ক থাকতে বলেন তিনি।
মোকতাদির চৌধুরী তার বক্তব্যের শুরুতেই কর্মকর্তারা অতিরিক্ত প্রশংসা করায় বিরক্তি প্রকাশ করে বলেন, আমার সম্পর্কে কর্মকর্তারা এত এত প্রশংসা করলেন, তাতে আসল কথাই আমি পেলাম না কারও বক্তব্যে। রাজউক সম্পর্কে আমি কিছুই জানলাম না। আমি বিব্রত বোধ করছি। রাজউক সম্পর্কে অনেক নেতিবাচক কথা শোনা যায়। সেবা পেতে মানুষের ভোগান্তি হয়। এসব বিষয়ে মনোযোগী হতে রাজউক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্দেশনা দেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত গণপূর্ত সচিব কাজী ওয়াছি উদ্দিনেরও প্রশংসা করেন রাজউক কর্মকর্তারা। বক্তব্য দেয়ার সময় তিনি অতিরিক্ত প্রশংসা করায় কর্মকর্তাদের ভর্ৎসনা করেন।
অনুষ্ঠানটি ছিল জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল পরিকল্পনা বাস্তবায়ন বিষয়ক সেমিনার।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাজউক চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান মিঞা। প্রতিষ্ঠানের উপ-পরিচালক ও তার উপরের কর্মকর্তারা এই কর্মশালায় অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে রাজউকের পরিচালক (জনসংযোগ) শামিমা মোমেন বলেন- মন্ত্রীসহ মঞ্চে তিন সচিবকে দেখে খুবই ভালো লাগছে। অপর দুই সচিব হিসেবে তিনি পূর্ত সচিব ও রাজউক চেয়ারম্যানের কথা উল্লেখ করেন। জবাবে মন্ত্রী বলেন- আমি সচিব ছিলাম না।
এরপর বক্তব্য দিতে গিয়ে রাজউক সদস্য (পরিকল্পনা) মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন মন্ত্রীকে সম্বোধন করতে গিয়ে তার ছাত্র রাজনীতি, পিএস হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দায়িত্ব পালন, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও রাজনৈতিক বৃত্তান্ত বর্ণনা করেন।