
সিআইডি-র এক অফিসার জানিয়েছেন, ১৯৯৮ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত রুপপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ছিল প্রদীপ। দু’সপ্তাহ আগে বীরভূমের রুপপুরের গ্রামে নিজের বাড়ি থেকে তাকে ধরে নিয়ে যায় পুলিশ। চলে জিজ্ঞাসাবাদ। প্রদীপকে জেরা করে নোবেল চুরি ও তা লোপাট করার ঘটনা সম্পর্কে বেশ কিছু তথ্য মিলেছে। তিনি জানিয়েছেন, অভিযুক্তদের নিজের বাড়িতে আশ্রয় দিয়েছিল প্রদীপ। এমনকী যথাসময়ে তাদের ভিন রাজ্যে পালানোর সুযোগও করে দেয় সে।। কোর্টের অনুমতি নিয়ে গুজরাতে তার নারকো অ্যানালিসিস টেস্ট করা হবে বলে সূত্রের খবর।
সিআইডি অফিসার সূত্রে খবর, প্রবীরকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা গিয়েছে, এই ঘটনায় প্রত্যক্ষভাবে জড়িত এক বাংলাদেশী। নাম মহম্মদ হোসেন শিপুল। সে-ই এই প্লটের মাস্টারমাইন্ড। এছাড়াও রয়েছে ২ ইউরোপীয়। নোবেল চুরি কাণ্ডে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত থাকার অভিযোগে, অপরাধীদের আশ্রয় দেওয়া এবং নিরাপদে অন্য রাজ্যে পাঠিয়ে দেওয়ার অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে ।
প্রসঙ্গত, নোবেল চুরির তদন্তে বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট গঠন করে রাজ্য সরকার। যার নেতৃত্বে কলকাতা পুলিশের কমিশনার রাজীব কুমার, আইজি সিআইডি টু জাভেদ শামিম, সিআইডি’র এডিজি রাজেশ কুমার। অর্থাৎ কলকাতা পুলিশ ও সিআইডি যৌথভাবে এই তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু করে। নোবেল চুরির তদন্তভার দ্রুত হাতে তুলে নেয় বিশেষ তদন্তকারী দল।
উল্লেখ্য, ১৯১৩সালে বিশ্বভারতী-র মিউজিয়াম থেকে চুরি যায় রবীন্দ্রনাথের নোবেল পদকটি। সিবিআই এই তদন্তের দায়িত্ব নিলেও কোনও কিনারা করতে পারেনি।