
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) ভোরে জেলা শহরের ফুলবাড়িয়াস্থ নিজ বাসভবনে তিনি ইন্তেকাল করেন। তিনি ৩ ছেলে, ২ মেয়ে ও স্ত্রীসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে দলীয় নেতাকর্মীসহ সবার মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। তাকে এক নজর দেখার জন্য সুহৃদরা তার বাড়িতে ভীড় করে।
বাদ জুমা শহরের টেংকের পাড় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে সরকারি স্বাস্থ্যবিধি মেনে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও জানাজা সম্পন্ন হবে। পরে সদর উপজেলার বিজেশ্বর গ্রামে তার পারিবারিক কবরস্থানে মা-বাবা কবরের পাশে মরহুমের দাফন সম্পন্ন করা হবে।