
উপস্থিত ব্যবসায়ী নেতারা তাদের বক্তব্যে বলেন যে, আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে মাছ রপ্তানী না করে চোরাই পথে আখাউড়া সীমান্ত দিয়ে সামান্য, কসবা, কুমিল্লার বুড়িচং থানার বর্ডারে মাধ্যমে প্রতিদিন প্রচুর মাছ ভারতে পাচার হচ্ছে। চোরাই পথে পাচারকৃত মাছে ভারতীয় ব্যবসায়ীদের চাহিদা পূরণ হওয়ায় স্থলবন্দর দিয়ে বৈধভাবে মাছ আমদানীতে অনাগ্রহ দেখাচ্ছে। ফলে আখাউড়া স্থল বন্দর দিয়ে মাছ রপ্তানীর পরিমাণ ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছে। এতে করে বাংলাদেশের মৎস্যচাষী, মাছ রপ্তানীকারকগণসহ এ ব্যবসার সাথে জড়িত সকল বৈধ ব্যবসায়ীগণ ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে এবং সরকারও রাজস্ব প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। আরও জানান, অবৈধ পথে মাছ পাচার করে পাচারকারীরা ভারত থেকে মাদক নিয়ে আসছে। এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
অফিসার ইনচার্জ, আখাউড়া থানা এবং ২৫ বর্ডারগার্ড ব্যাটালিয়নের বিভিন্ন ক্যাম্পের কোম্পানী কমান্ডারগণ আশু প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার আশ্বাস প্রদান করেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার, আখাউড়া সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনাক্রমে টাস্কফোর্স গঠনসহ সীমান্ত এলাকার ইউনিয়নসমূহের গ্রাম পুলিশদের দায়িত্ব প্রদান করা হবে মর্মে আশ্বাস দেন। সকল সমস্যাগুলো নোট করা হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরও জানান যে, যেখানে প্রয়োজন সেখানে কথা বলে পত্র বিনিময় করে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে সমস্যা সমাধান করা হবে। আখাউড়া সীমান্তে দিয়ে আর কোন মাছ চোরাচালান হবেনা মর্মে সকলকে অবহিত করেন।