
জানা গেছে, বুধবার মনোনয়নপত্র জমা দানের শেষ দিনে এ আসনে বিএনপির তিনজন সহ বিভিন্ন দলের মোট ১৫জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। এদের মধ্যে নবীনগরে সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে আওয়ামীলীগের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন কেন্দ্রীয় কৃষক লীগের উপদেষ্টা, বিকন গ্রুপের মালিক এবাদুল করিম বুলবুল। অন্যদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রিটার্নিং কর্মকর্তার (ডিসি) কার্যালয়ে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর ও ঢাকা মহানগর যুবলীগ নেতা একেএম মমিনুল হক সাঈদও আওয়ামীলীগের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন। তবে দুজনের মনোনয়নপত্র জমাদানের খবরটি সন্ধ্যা পর্যন্ত আওয়ামীলীগের স্থানীয় অধিকাংশ নেতাকর্মীই জানতে পারেনি। পরে রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসকের স্বাক্ষরযুক্ত মনোনয়ন জমাদানকারীদের একটি তালিকায় ‘বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ’ থেকে উল্লেখিত এই দুজন প্রার্থীর নাম অন্তর্ভূক্ত থাকতে দেখা যায়। বিষয়টি রাতেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে, এ নিয়ে আওয়ামীলীগের স্থানীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা বিভ্যান্তিতে পড়েন।
এ বিষয়ে এবাদুল করিম বুলবুল ও একেএম মমিনুল হক সাঈদ দুজনেই নিজেদেরকে আওয়ামীলীগের প্রার্থী দাবি করেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা হায়াত-উদ-দৌলা খাঁন জানান,‘বিষয়টি যাচাই বাছাই করে আগামি ০২ ডিসেম্বর বাছাইয়ের দিনে এ বিষয়ে যথাযথ সিদ্ধান্ত দেয়া হবে।’