
বহিষ্কৃতরা হলেন- সদর থানার এএসআই মো. রফিকুল ইসলাম ও কনস্টেবল মো. শরীফুল ইসলাম।
পুলিশ সুপার বরখাস্তের বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
প্রসঙ্গত, ২০ নভেম্বর দুপুরে মসজিদ রোড এলাকা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলের দেওড়ার গ্রামে সার ব্যবসায়ী জাকির হোসেন শহরের জগত বাজার যাচ্ছিলেন। এসময় আঁখি নামে এক মহিলা অপহরণকারী দলের সদস্য অসুস্থতার কথা বলে তাকে নিজ বাসা শহরের কাজীপাড়া এলাকায় পৌঁছে দেয়ার জন্য জাকিরকে অনুরোধ করেন। পরে জাকির তাকে বাসায় পৌঁছে দিতে গেলে সেখানে আগে থেকে উপস্থিত থাকা এএসআই রফিকুল ও কনস্টেবল শরীফুল ব্যবসায়ীর চোখ বেঁধে ফেলেন। পরে তার কাছে থাকা নগদ ১২ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেন পুলিশ সদস্যরা। এসময় ব্যবসায়ী জাকিরের স্বজনদের কাছে আরো তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন অপহরণকারীরা। অপহরণকারীদের দাবি অনুযায়ী স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করে একাধিক মোবাইল ফোন নম্বরে বিকাশের মাধ্যমে এক লাখ তিন হাজার টাকা পাঠান জাকির। তবে চাহিদার তুলনায় টাকা কম পাওয়ায় জাকির হোসেনকে মারধর করা হয়। পরে সন্ধ্যায় সিএনজিচালিত অটোরিকশায় উঠিয়ে চোখ বেঁধে পৌর এলাকার পৈরতলায় তাঁকে ফেলে যাওয়া হয়।
এ ঘটনায় গত মঙ্গলবার জাকির হোসেন সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। অভিযানে নেমে প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে পুলিশ অপহরণকারীদের সম্পর্কে নিশ্চিত হয়। পরে পুলিশের অভিযানে অপহরণকারীচক্রের সদস্য দুই পুলিশ ও অভিযুক্ত নারী গ্রেপ্তার হয়। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সরাফ উদ্দিনের আদালতে পাঠানো হলে গ্রেপ্তারকৃতরা ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়। পরে আদালত তাদের জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।