
আল্লামা জুনাইদ বাবুনগরী রাত ৯.৩০ মিনিটের সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জামিয়ায় আসেন। মুফতী আব্দুর রহিম কাসেমী, মাওলানা আহমদুল্লাহ,মাওলানা আব্দুল হক মাওলানা জাকারিয়া প্রমুখ মাদরাসার শিক্ষকবৃন্দ হযরতকে অভর্থণা জানান।
.
হযরত মাদরাসার শিক্ষকদের থেকে শহীদ মাসুদুর রহমানের হত্যার বিবরণ, মাদরাসায় হামলায় ক্ষতিগ্রস্থের অবস্থা শুনে অশ্রুশিক্ত হয়ে পড়েন। নিহতের পরিবার এবং আহতদের খুঁজ খবর নেন। হযরতের আগমণের সংবাদ আগ থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ছড়িয়ে পড়লে বিভিন্ন মিডিয়া সাংবাদিকরা হযরতের আগমণের পূর্বেই মাদরাসায় অবস্থান নেন। মাদরাসার শিক্ষকদের থেকে সব বিষয়ে অবগত হয়ে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন। বাবুনগরী বলেন কার অনুমতি ক্রমে পুলিশ এবং সন্ত্রাসবাহীনি মাদরাসায় প্রবেশ করে? কি অপরাধ ছিল কিশোর মাসুদের। সে তো হাফেজে কুরআন। একজন হাফেজে কুরআনের বুকে গুলি করা মানে কুরআনে গুলি করা। একজন হাফেজে কুরআনকে লাথি মারা মানে কুরআনকে লাথি মারা।
তিনি বলেন কত বড় নিমর্ম হত্যাজ্ঞ নিরাপরাধ একজন হাফেজে কুরআনকে চার তলার উপর থেকে লাথি মেরে ফেলে দেওয়া। এই হত্যার বিচার চাই। মাসুদের হত্যাকারীদের বিচারের জোড় দাবী জানান। তিনি মসজিদ মাদরাসা হামলার তিব্র নিন্দা জানান। তিনি বলেন সকল কওমী মাদরাসর ছাত্র এক আমি হাটহাজারীর ছাত্রদের যেমন ভালবাসি এখন ছাত্রদের ও তেমনি ভালবাসি। আরো উপস্থিত ছিলেন মাওলানা আজিজুল হক ইসলামবাদী, মুফতী আব্দুর কাসেমী, মাওলানা আব্দুল হক, মাও আহমদুল্লাহ, মুফতী এনামুর হক, মাওলানা হাবিবুর রহমান, মাওলানা জাকারিয়া প্রমুখ।