
সভায় সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক হায়াত উদ-দৌলা খাঁন বলেন, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে আসন্ন পবিত্র ঈদুল আযহা ও জাতীয় শোক দিবস উদযাপন করতে সকলের সার্বিক সহযোগিত প্রয়োজন। তিনি বলেন, ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে জেলার বিভিন্ন স্থানে ১০২টি অস্থায়ী পশুর হাট বসবে। পশুর হাটগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। এ সময় তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় সড়ক- মহাসড়কে যান চলাচলে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট বিভাগকে আরো নজরদারি বাড়ানোর জন্য নির্দেশ প্রদান করেন। তিনি বলেন, ঈদে নারীর টানে বাড়ি ফেরা মানুষের যাত্রা সুবিধার্থে রেলওয়ে স্টেশনে টিকিট কালোবাজারি রোধে রেলওয়ে বিভাগ ও পুলিশকে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে। ঈদের ছুটিতে দূর দূরান্ত থেকে আসা রোগীরা যেন অসুবিধার সম্মুখীন না হয় সেইজন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালসহ সকল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পর্যাপ্ত চিকিৎসকের উপস্থিতি নিশ্চিত করার জন্য স্বাস্থ্য বিভাগের প্রতি আহবান জানান।
এছাড়াও আগামী ১০ থেকে ১৬ আগস্ট পর্যন্ত আখাউড়া উপজেলার খরমপুর হযতর সৈয়দ গিয়াছদরাজ (কল্লা শহিদ) মাজার শরিফে অনুষ্ঠিব্য বার্ষিক ওরশ মাহফিলের কয়েক লক্ষাধিক ভক্তদের সার্বক্ষনিক নিরাপত্তায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নিরাপত্তাবাহিনীর সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি আরো বলেন, বর্তমানে দেশে ডেঙ্গু একটি উদ্বেগজনক বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে ইতোমধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভাসহ জেলার সকল উপজেলায় এডিস মসা নিধনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।