
এদিকে কসবা উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে দলীয় প্রতীক ছাড়া উন্মুক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে বিজয়ীরা হলেন, মেহারী ইউপিতে মোশারফ হোসেন (টেবিলফ্যান), বাদৈর ইউপিতে শিপন আহম্মদ ভুইয়া (চশমা), গোপীনাথপুর ইউপিতে মোঃ মিজানুর রহমান (টেবিলফ্যান), বিনাউটি ইউপিতে বেদন খাঁন (ঘোড়া), কায়েমপুর ইউপিতে ইকতিয়ার আলম রনি (আনারস), বায়েক ইউপিতে মোঃ বিল্লাল হোসেন (অটোরিক্সা) ও কসবা পশ্চিম ইউপিতে মোঃ মানিক মিয়া (অটোরিক্সা)।
এর আগে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত দুই উপজেলার ১৪ ইউপিতে ইভিএমএ শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহন অনুষ্ঠিত হয়। তবে ইভিএমএ ভোটগ্রহন হওয়ায় বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটারদের নানা বিড়ম্বনার শিকার হতে হয়। বিশেষ করে আঙ্গুলের ছাপ না আসা এবং নানা যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ভোটরদের ঘন্টার পর ঘন্টা লাইনে দাড়িয়ে থাকতে হয়। এছাড়া অনেকেই দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করে ভোট না দিয়েই বাড়ি ফিরে যান।
প্রসঙ্গত, কসবা উপজেলার ৭টি ও নবীনগর উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন মোট ১৪টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৯৫ জন, সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ১৪৯ জন এবং সাধারণ সদস্য পদে ৪৫২ জন প্রতিদ্বন্ধিতা করেন। নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনস্তর বিশিষ্ট নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহন করে প্রশাসন।