
রানা একই এলাকার আব্দুল কুদ্দুস মাখন মিয়ার ছেলে। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, সোমবার (১৫ জানুয়ারি) সকাল থেকে রানা নিখোঁজ হয়। পরে তাকে বিভিন্ন এলাকায় খোজা হলেও পাওয়া যাচ্ছিল না। এ ব্যাপারে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। এদিকে শনিবার সকালে চন্ডালখিল এলাকায় একটি পুকুরে একজনের মরদেহ ভাসমান অবস্থায় দেখতে পেয়ে এলাকাবাসী নিহতের পরিবার ও পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে। পরে রানার পরিবারের লোকজন মরদেহটি রানার বলে নিশ্চিত করে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) মো. জিয়াউল হক বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, হাত-পা খোলা ও পুকুরে ভাসমান অবস্থায় নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরো জানান, এটি হত্যা না আত্মহত্যা তা ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে সঠিক কারণ জানা যাবে।