
তিনি আরো বলেন, আমি ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে বাংলাদেশের এক নম্বর শহর হিসাবে গড়ে তুলতে চাই। এগিয়ে রাখতে চাই জ্ঞানে-বিজ্ঞানে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরবাসী আমার জন্য অনেক কষ্ট করেছে। আমি এই শহরকে সৌন্দর্যে-বিজ্ঞানে-উন্নয়নে সবদিক থেকে আলাদাভাবে গড়ে তুলবো। যেমনভাবে সুরস¤্রাট ওস্তাদ আলাউািদ্দন খা ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে সারা বিশ্বে পরিচিত করেছেন, ব্যারিষ্টার আবদুর রসুল, স্যার সৈয়দ শামসুল হুদা, শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত, জাতীয় বীর আবদুল কুদ্দুস মাখনের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসীর মুখ উজ্জল হয়েছে সেই স্বর্ণালী সময়কে মনে রেখে তেমনিভাবে আমি ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে উজ্জল করে গড়ে তুলতে চাই।
তিনি আরো বলেন, কোনো এমপি নিজের এলাকায় ইশতেহার ঘোষনা করে না কিন্তু আমি ঘোষনা করেছি কারণ দলীয় প্রধানের ইশতেহারে হয়তো ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ সবকিছু না ও থাকতে পারে।
তিনি জনতার উদ্দেশ্যে বলেন, আমরা দীর্ঘদিন যাবত ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরবাসীকে নিয়ে যে পরিশ্রম করেছি তার ফসল আজকের সমাবেশ। চূড়ান্ত ফল ঘরে তুলতে হবে ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচনে। তিনি উপস্থিত কর্মীদের বলেন,৩০ ডিসেম্বর আপনারা সকল সকাল ভোট কেন্দ্রে যাবেন। সারাদিন রোজা রেখে কেন্দ্র পাহারা দিয়ে সন্ধ্যায় ফল নিয়ে ঘরে ফিরবেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার মেয়র ও জেলা আওয়ামীলীগ সহসভাপতি মিসেস নায়ার কবীরের সভাপতিত্বে ও উপদপ্তর সম্পাদক মো.মনির হোসেন এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আল মামুন সরকার, সহসভাপতি তাজ মো.ইয়াছিন, হেলাল উদ্দিন, মুজিবুর রহমান বাবুল,যুগ্ম-সম্পাদক মাহবুবুল বারী চৌধুরী মন্টু, গোলাম মহিউদ্দিন খান খোকন,সাংগঠনিক সম্পাদক এড.মাহবুবুল আলম খোকন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান এড.তাসলিমা সুলতানা খানম নিশাত,সদর উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি হাবিবুল্লাহ বাহার,পৌর আওয়ামীলীগ সভাপতি রফিকুল ইসলাম,বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু হুরায়রাহ,জাপা নেতা শেখ মো.ইয়াছিন,কেন্দ্রীয় যুব মহিলালীগ সহসভাপতি শামীমা চৌধুরী বীথি,জেলা যুব মহিলালীগ সভাপতি রাবেয়া খাতুন রাখি,জেলা ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন শোভন।