ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কুকুরের কামড়ে পাঁচজন আহত হয়েছেন। আহতরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর জেনারেল হাসপাতাল চিকিৎসা নিয়েছেন। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বেলা ২টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ইউনিভার্সিটি থেকে কাউতলী মোড় পর্যন্ত এ ঘটনা ঘটে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা পৌর শহরের মধ্য মেড্ডার সবুজবাগ এলাকার মো. ফিরুজ মিয়া (৫২) বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষিকাকে কামড়িয়ে এসে আমি কোর্টের সামনে দাঁড়ানো অবস্থায় পাগলা কুকুরটি আমার হাঁটুতেও কামড় দিয়ে আরো ৩ জনকে কামড় দিয়ে চলে যায়।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, সদর হাসপাতালে কোন ধরনের ওষুধ সরবরাহ নেই। আমরা বাহির থেকে কিনে এনেছি। তাও শহরের সব ফার্মেসিতে পাওয়া যায় না।
পৌরশহরের জেলা পরিষদ এলাকার বাসিন্দা আরেফিন শোভন বলেন, রাত হলেই কুকুরের উপদ্রব বেড়ে যায়। রাত ১০টার পর পাড়া মহল্লার মোড়গুলোতে ১০-১৫টি করে কুকুর দাঁড়িয়ে থাকে। কুকুরের সামনে দিয়ে পথ অতিক্রম করতে গেলেই ভয়ে থাকতে হয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের ডগ বাইট ভেক্সিলেশনের দায়িত্বরত সিনিয়র নার্স শাহনাজ বেগম বলেন, আজকে ৭৬ জনকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এর মধ্যে ১৭ জন কুকুর ও ১৩ জন বিড়াল কামড়ের রোগী এসেছে। বাকী যারা চিকিৎসা নিয়েছেন সবাই আগের রোগী তারা আজকে ইঞ্জেকশন নিতে এসেছিলো। ১৩ জন বিড়ালের মধ্যে পুষা বিড়ালের কামড়ের চিকিৎসা নিয়েছেন এবং কুকুরগুলো পাড়া মহল্লায় ছিলেন। ওষুধ না থাকার বিষয়ে তিনি বলেন, সরকারিভাবে সরবরাহ না থাকায় দেওয়া যাচ্ছেনা।
