The voice of Brahmanbaria || Local news means the world is

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভাগ্নে-ভাগ্নিকে গলা কেটে হত্যার দায়ে মামার ফাঁসির আদেশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে ভগ্নিপতির সঙ্গে টাকা লেনদেনের ক্ষোভে ভাগ্নে-ভাগ্নিকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় মামা বাদল মিয়াকে মৃত্যুদন্ড দিয়েছে আদালত। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক মো. আব্দুল হান্নান এই রায় ঘোষণা করেন। রায়ে মৃত্যুদন্ডের পাশাপাশি আসামিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো দুই বছরের কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে। মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামি বাদল মিয়া কুমিল্লা জেলার হোমনা উপজেলার খুদাদাউদপুর গ্রামের মৃত আব্দুর রবের ছেলে। খুনের শিকার শিফা আক্তার (১৪) ও তার ছোট ভাই মেহেদি হাসান কামরুল (১০) বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সলিমাবাদ ইউনিয়নের সাহেবনগর গ্রামের কামাল হোসেনের সন্তান।

মামলার বিবরণে জানাযায়, বাদল বাহরাইনে থাকাকালে দোকানঘর করতে তার ভগ্নিপতি কামালের কাছ থেকে ১৩ লাখ টাকা ধার নেয়। এর মধ্যে তিন লাখ টাকা ফেরত দিলেও বাকি ১০ লাখ টাকা ফেরত না দেয়ায় তাদের মধ্যে মনোমালিন্য চলছিল। এনিয়ে কামাল বাদালকে থাপ্পড় মাড়ে। এতে বাদল ক্ষুব্ধ হয়ে প্রতিশোধ নিতে ২০২০ সালের ২৪ আগস্ট দুপুরে ভগ্নিপতির বাড়িতে তার থাকার কক্ষে উচ্চস্বরে গান বাজিয়ে ভাগ্নে মেহেদী হাসান কামরুল ও ভাগ্নি শিফাকে গলাকেটে হত্যা করে। পরে ২৬ আগস্ট ঢাকার সবুজবাগ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া আদালত পুলিশের পরিদর্শক কাজী দিদারুল আলম বলেন, স্বাক্ষ্য প্রমাণশেষে বিজ্ঞ আদালত দ্রুত এই মামলার রায় দিতে সক্ষম হয়েছেন।

Exit mobile version