
মন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে শেখ হাসিনা সড়কের মাধ্যমে জেলা শহরের চিত্র অনেকটা বদলেছে। সেখানে পরিকল্পিত শহর ব্যবস্থা গড়ে উঠতে শুরু করেছে। পৃথিবীর আধুনিক শহরের সাথে মিল রেখে তিতাস নদীর পাড়েও একটি আধুনিক শহর গড়ে তোলা হবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও একটি মেডিকেল কলেজ স্থাপনের বিষয়টি জেলাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবী। ইতোমধ্যেই সরকারের কাছে এ বিষয়ে প্রস্তাব তুলে ধরা হয়েছে এবং এই প্রতিষ্ঠানগুলোও হবে। এছাড়াও শহরের পুরাতন জেলখানায় শিশুদের বিনোদনের জন্য একটি শিশুপার্ক গড়ে তোলা হবে।
উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী বলেন, আমার স্ত্রী প্রফেসর ফাহিমা খাতুন যখন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ছিলেন তখন সারা বাংলাদেশে যে কটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ১০ তলা একাডেমিক ভবনে তালিকা করা হয়েছিল। তখন তার মাধ্যমে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সর্বাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম যুক্ত করে দেয়া হয়েছিল।
মন্ত্রী বলেন, অন্নদা স্কুলের খেলার মাঠ থেকে আমি গরুর হাট ও মেলা উচ্ছেদ করেছি। বর্তমান সরকারের আমলে বিশেষ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের অনেক উন্নয়ন হয়েছে। একটি ১০ ও একটি ৬ তলা একাডেমিক ভবন, একটি ৫ তলা প্রশাসনিক ভবন, একটি ছাত্রীনিবাস নির্মাণ করা হয়েছে। তাছাড়া এই কলেজে আরও একটি ছাত্রনিবাস করার পরিকল্পনা রয়েছে তার মন্ত্রণালয়ের ও সরকারের। ঐতিহ্যবাহী এই স্কুলের উন্নয়নের বিষয়ে আমরা পরিকল্পনা করছি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আবেশ-এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক লে. জেনারেল সাজ্জাদুল হক, অন্নদা স্কুলের প্রধান শিক্ষক ফরিদা নাজমীন, অন্নদা স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র কবি জয়দুল হোসেন, কাজী মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডা. মো. আবু সাইদ।