
প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেয়া হয়েছে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা।আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হবে ইজতেমা মুল আনুষ্ঠানিকতা। ৫ই ডিসেম্বর শনিবার আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে বিশ্ব ইজতেমার অংশবিশেষ। এজন্য সকল প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন হয়েছে এবং মুসুল্লিদের স্বাগত জানাতে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও ব্যক্তিগত উদ্যোগে সড়ক-মহাসড়কে নির্মাণ করা হয়েছে তোরণ। এরই মধ্যে বিভিন্ন জায়গা থেকে ইজতেমায় আসতে শুরু করেছে হাজারো মানুষ। আয়োজকরা জানান, জেলায় প্রথমবারের মতো ধর্মীয় এ ইজতেমায় অন্তত পাচঁ লাখ মুসল্লি অংশ নিবে বলে আশা করা যায়।এছাড়া আশেপাশে সড়ক ও মাঠসহ বিভিন্ন স্থানে আরো অনেক লোক অংশ নিতে পারবে।তারা আরো জানায়, একই সাথে আটশো লোকের ওজুর জন্য তিনটি শ্যালোমেশিন বসানো হয়েছে এবং ১০ হাজার লিটারের ৬ টি ট্যাংক বসানো হয়েছে।এছাড়া ও নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ব্যবস্থা ও মেডিকেল টিমও ইজতেমাস্থলে কাজ করবে।
ব্রাক্ষণবাড়ীয়া অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তাপস রঞ্জন জানান-আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখতে র্যাব, সিআইডি, গোয়েন্দাসংস্থা এবং সাদাপোষাক দারি পুলিশ ও ফায়ার ফার্ভিস সদস্য নিয়োজিত থাকবে।আগত মুসলিদের নিরাপত্তার সার্থে ৫০ টি সিসি ক্যামেরা বিভিন্ন স্পটে বসানো হয়েছে।প্রয়োজনে আরো বসানো হবে।
উল্লেখ্য ইজতেমা আগত একজন মুসল্লি জানান-টংগী বিশ্ব ইজতেমা প্রতিবছর ঢাকায় দুই পূ্র্বে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।যার কারনে টংগীসহ আশেপাশে তীব্র যানযট সৃষ্টি হয় এবং অনেকে ইচ্ছাপোষন থাকলে ও টংগী ইজতেমায় যানযটসহ বিভিন্ন কারনে অংশ নিতে পারে না।যার কারনে ৩২ জেলা বিভিন্ন সেক্টরে ভাগ করে দেওয়া হয়েছে।তারই প্রতিপ্রাধ্য এ বছর ব্রাক্ষণবাড়ীয়া অনুষ্ঠিত হচ্ছে