
ওই ক্লিনিকে কর্মরত চিকিৎসক হালিমা নাজনীন মিলি জানান, জন্মের পর মা ও নবজাতক সুস্থ্য রয়েছে।তিনি জানান, শিশুটির জোড়া মাথা হলেও হাত ও পা ডবল নয়। হাত-পাসহ শরীরের অন্যান্য অঙ্গ স্বাভাবিক অন্য শিশুর মতোই। চিকিৎসা বিজ্ঞানের অভিজ্ঞতায় আমরা যমজ শিশু সম্পর্কে জানলেও এমন জোড়া মাথার শিশুর জন্ম হওয়া বিরল ঘটনা।
ফেরদৗসি বেগম হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপেজলার মনতলা চৌমুহিন এলাকার মো. জামাল মিয়ার স্ত্রী। শিশুটির বাবা জামাল মিয়া বলেন, সন্ধায় দিকে তিনি তার স্ত্রীকে নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার স্ট্যান্ডার্ড হসপিটাল অব টোটাল হেলথ্ কেয়ার ক্লিনিকে আসেন। এরপর রাত সাড়ে ৮ টায় সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গাইনী ও প্রসুতি বিভাগের কনসালটেন্ট ডা. হালিমা নাজনীন মিলি ফেরদৌসির অস্ত্রোপচার শেষে দুই মাথা বিশিষ্ট ওই শিশুর জন্ম হয়।