
ত্রান সামগ্রীর মধ্যে ছিল ১০ কেজি চাল,১ কেজি তেল,১ কেজি ডাল,১ কেজি লবণ, ১ কেজি চিনি,গুরা মরিচ,হলুদ, ধনিয়ার গুড়া সহ মোট ১৪ কেজি ৪০ গ্রাম খাদ্য সামগ্রী। এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ এইচ ইফরান উদ্দিন আহমেদ জানান,“ এ ব্যাপারে শুরু থেকে খোঁজ খবর নেয়া হচ্ছে।২ দিন আগে আমরা মিটিং করেছি এ বিষয় নিয়ে, প্রত্যেক ইউনিয়নে ১ জন ট্যাগ অফিসার নিয়োগ করা হয়েছে এবং ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারকে শনাক্ত করে আজ থেকে ত্রান সামগ্রী বিতরণ শুরু করেছি। আমাদের উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা সব কয়টা এলাকা ঘুরে খবর নিচ্ছে , আমি নিজে আশ্রায়ন প্রকল্প সহ কয়েকটি গ্রামের খোজ খবর নিয়েছি। তাছাড়া আমরা জান মালের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে কয়েকটি আশ্রয় কেন্দ্রও প্রস্তুত রেখেছি। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি পরিবার আশ্রয়কেন্দ্রে এসেছে। সব পরিবারের কাছেই দ্রুত সময়ের মধ্যে ত্রান সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হবে