
রবিবার দুপুর সাড়ে ১২ টার সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কর্তৃক কৃষি অফিসের প্রশিক্ষণ সেন্টারে প্রায় ২৫ জনের মতো নারী পুরুষ কৃষক কৃষাণীদেরকে গণজমায়েত করে এ প্রশিক্ষণ দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্নদ খিজির হোসেন প্রাং।
সরেজমিনে উপজেলা ভবনে রবিবার দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে গিয়ে দেখা যায় প্রায় ২৫ জনের মতো নারী পুরুষ কৃষক কৃষাণীদেরকে গণজমায়েত করে প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন জেলা বীজ প্রত্যায়ন কর্মকর্তা আলি আহম্মেদ। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের নানা বয়সী নারী পুরুষ কৃষক কৃষানীদেরকে এনে করোনা পরিস্থিতিতে এ প্রশিক্ষণ দেয়াতে বাড়তে পারে উপজেলাতে করোনা ঝুঁকি। বিজয়নগর উদ্ভিদ সংরক্ষণ কৃষি উপ-সহকারী নূরে আলম বলেন, কোরানার সময়ে এই প্রশিক্ষণ নেওয়াটা ঠিক হয়নি কিন্তু এই ব্যপারে বড় স্যার ভাল বলতে পারবে।
বিজয়নগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা খিজির হোসেন প্রাং এর নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ প্রশিক্ষণ তিনদিনের ছিল। উপরের নির্দেশে দ্রুত শেষ করার জন্য বলা হয়েছে তাই আমরা প্রশিক্ষণ নিয়েছি। জেলা কৃষি উপ-পরিচালক রবিউল হক মজুমদার বলেন, দেশের এই অবস্থায় কোন ভাবেই গণজমায়েত করে প্রশিক্ষণ নেওয়া যাবেনা। উপরের নির্দেশে প্রশিক্ষণ নিতে বলেছে বললে তিনি বলেন, করোনার সময়ে সামাজিক দূরুত্ব নিয়ে বসতে হবে সেইটাও যদি শিখিয়ে দিতে হয় তাহলে তিনি স্টুপিড ছাড়া কিছুই না।
বিজয়নগর নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেজের নিগার বলেন, প্রশিক্ষণ সম্পর্কে আমি কিছু জানিনা এবং আমাকে তারা জানিয়ে করেনি। আমি কৃষি কর্মকর্তাকে কেন করোনার সময় গণজমায়েত করে প্রশিক্ষণ নিয়েছে সেইটা জিগ্যেস করবো।
উল্লখ্য, সম্প্রতিকালে জেলার সরাইল উপজেলায় মৎস্য অধিদপ্তরে আয়োজনে জেলেদের মধ্যে সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এরপর সরাইল উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা করোনা পজেটিভ আসে। বর্তমানে সরাইল উপজেলায় অনুষ্ঠানে অংশ নেয়া সংরক্ষিত নারী সদস্য ও ইউএনও সহ মৎস্য অধিদপ্তরেরর কর্মকর্তা ও কর্মচারি সহ সবার মধ্যে করোনা আতংক বিরাজ করছে।