
মন্ত্রী বলেন, ‘খোঁজ নিলে দেখা যাবে বিএনপি নেতারা কেউ এ দল থেকে কেউ ওই দল থেকে এসেছেন। কিন্তু আওয়ামী লীগের সবাই একই পরিবারের লোক। আওয়ামী ক্ষমতায় থাকলে দেশের উন্নয়নের চিন্তা করে। আর বিএনপি দেশকে সন্ত্রাসী রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়।’
পূরকুইল গাউছিয়া হাফিজিয়া দরবার শরীফ মাঠে মেহারি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. জহিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এতে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, কসবা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আনিসুল হক ভূঁইয়া, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়ক রাশেদুল কাওছার ভূঁইয়া জীবন, এম কি হাক্কানী, কসবা পৌরসভার মেয়র এমরান উদ্দিন জুয়েল উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি মো. মনির হোসেন, সাধারন সম্পাদক আফজাল হোসেন খান রিমন প্রমুখ। দ্বিতীয় অধিবেশনে মেহারি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নতুন নেতৃত্ব বাছাই করা হয়।
সম্মেলনে মন্ত্রী বলেন, ‘খালেদা জিয়া ন্যায় বিচার, আর নাই বিচার এর পার্থক্য বুঝেন। ন্যায় বিচার, নাই বিচার বানানও করতে পারবেন না। ওনি এত মিথ্যাচার করেন যে ওনার কোনো লজ্জা লাগে না। ২০১১ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত তিনি ১৬৭ বার আদালতের কাছে সময় চেয়েছেন। বিচারক পছন্দ না হলেই সময় চান। এরপরও বলেন তিনি ন্যায় বিচার পান না। ওনি তো ওনার স্বামী হত্যাকান্ডেরই বিচার চান নি।’
তিনি বলেন, ‘বিএনপি এক সময় সংবিধান নিয়ে ফুটবল খেলেছে। এবার জনগণ তা হতে দেবে না। বিএনপি আসুক আর নাই আসুক আগামী নির্বাচন সংবিধান অনুসারেই হবে। বিএনপি’র জন্য সংবিধান পরিবর্তন করা হবে না। সংবিধান অনুসারে আগামী সংসদ নির্বাচন পরিচালনা করবে স্বাধীন নির্বাচন কমিশন।’
সম্মেলনে সভাপতি মোশাররফ হোসেন মুর্শেদ ও সাধারণ সম্পাদক আল হেলাল ভুইয় বিজয় হন।