
ভুক্তভোগী রাম চন্দ্র দাস জানান, তিনি বড়ইছাডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। তিন বছর পূর্বে তার গ্রামের বাড়ির অরুয়াইল ইউনিয়নের অরুয়াইল গ্রামের দাসপাড়া বাদল দাস নামে একজন তার বাড়ির পাশে জায়াগা ক্রয় করে। সে জায়াগা থেকে বের হওয়াার একাধিক রাস্তা থাকলেও সরাসরি রাস্তার জন্য রামচন্দ্র দাসের বাড়ির উপর দিয়ে জায়গা চায়। রামচন্দ্র দাস সেই জায়গা না দেয়ায় তার সাথে বিরোধ শুরু হয়। এ নিয়ে একাধিকবার সালিশ বৈঠক হয়।
এরপর ১৯ তারিখ শুক্রবার বিকেলে বাদল চন্দ্রদাস, বিমল ও নারায়ণ দাস তাদের লোকজন নিয়ে শিক্ষক রামচন্দ্রের বাড়িতে হামলা চালায়। এই সময় রামচন্দ্র কে বাঁচাতে আসলে তার স্ত্রী অরুয়াইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সিনিয়র শিক্ষক সীমা রানী দাস ও আহত হয়।
এ সময় অরুয়াইল পুলিশ ফাঁড়িতে গিয়েও কোন ধরনের সহযোগিতা না পাওয়ার কথা জানান রামচন্দ্র । পরে স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। বর্তমানে তারা জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এদিকে, মারধরের পরেও অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে ভয়ে মামলা করতে পারছেন না শিক্ষক রামচন্দ্র। মামলা না করতে তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেয়ার অভিযোগ করেন তিনি।
এ বিষয়ে অরুয়াইল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক জাকির হোসেন জানান, এ ধরনের হামলার কোন খবর তিনি জানেন না, কেউ এ বিষয়ে অভিযোগ নিয়ে ফাঁড়িতে আসেওনি। অভিযোগ পেলে তিনি আইনগত ব্যবস্থা নেবেন।