উপজেলা আওয়ামী লীগের পাঁচজন নেতা-কর্মী বলেন, আগামী ২২ মার্চ অনুষ্ঠেয় ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়ন দিতে গতকাল কাউন্সিলের আয়োজন করা হয়। এতে তেজখালী ইউনিয়নের কাউন্সিল হওয়ার পর বেলা একটার দিকে বর্তমান চেয়ারম্যান গাজী ফাইজুর রহমান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মো. তাজুল ইসলামের সমর্থকদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এতে ফাইজুর রহমানসহ দুই পক্ষের ১০ জন আহত হন। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। আহত অন্যরা হলেন গাজী আক্তার, গাজী খলিল, গাজী রায়হান, মনির হোসেন, জসিম মিয়া, ইকবাল, জামাল, আসলাম, ইমান হোসেন। তাঁরা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন।
ফাইজুর রহমান বলেন, ‘তাজুল ইসলামের লোকজন ও ভাড়াটে সন্ত্রাসী কোনো কারণ ছাড়াই আমার এবং আমার লোকজনের ওপর হামলা করেছে। আমাকে ওরা ধাক্কা দিয়ে পাঞ্জাবি ছিঁড়ে ফেলেছে। এ বিষয়ে আমি মামলা করার চিন্তা করছি।’
তাজুল ইসলাম বলেন, ‘ফাইজুর রহমান কাউন্সিল শেষে আমাকে অশ্লীলভাবে গালিগালাজ করতে থাকেন। এ সময় আমার কর্মী-সমর্থকেরা প্রতিবাদ করলে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।’
উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, একটি বড় দলের সমর্থক অনেক বেশি। এ হাতাহাতি একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা।